মেইন ম্যেনু

প্রত্যেক পুরুষই চান তার স্ত্রী মেনে নিক এই বাস্তব সত্যগুলো

দাম্পত্য জীবনে সবচাইতে বেশি সমস্যা হয় দুজন দুজনকে বুঝতে না পারার ফলে, আর এই বুঝতে না পারার পেছনে অনেক কারণই থাকতে পারে। কিন্তু নারীরা পুরুষের তুলনায় একটু কমই বাস্তববাদী হয়ে থাকেন বলে সমস্যা একটু বেশীই হয়। স্বামীর প্রতি একটু অবাস্তব আশা রাখতে পছন্দ করেন বেশীরভাগ নারীই, যার ফলে সংসার জীবনে সমস্যা দেখা দেয়। আর এই অশান্তির পুরো প্রভাবটাই পড়ে স্বামী বেচারার উপরে। তাই ভুক্তভুগী প্রায় সব পুরুষই চান তার স্ত্রী কিছু বাস্তব সত্য মন থেকে মেনে নিয়ে সংসারে শান্তি ধরে রাখুন।

১) ‘আমি প্রিন্স চার্মিং নই, আমি তোমার স্বামী’
নারীদের বিয়ে সংক্রান্ত চিন্তা আসার পর থেকেই মনে মনে নিজের জন্য একজন প্রিন্স চার্মিং কল্পনা করে রাখেন এবং নিজের স্বামীকে সেই মানুষটির সাথে তুলনা করে অনেক অমূলক চিন্তা করেন যা অনেক সময় স্বামী বেচারা পূরণ না করতে পারার কারণে অভিমানও নারীরাই করেন। কিন্তু তিনি সত্যিই প্রিন্স চার্মিং নন। তিনি চান কল্পনার জগত থেকে তার স্ত্রী বাস্তবে ফিরে এসে তাকে তার স্বামী হিসেবেই মেনে নিন।

২) ‘আমরাও কষ্ট পাই এবং আমরাও আবেগী হই’
পুরুষেরা কাঁদেন না দেখে মনে করার কোনো কারণ নেই যে তারা কষ্ট পান না এবং তাদের আবেগ নেই। নারীরা যেমন কষ্ট পান তেমন ছোটোখাটো বিষয়ে পুরুষেরা কষ্ট না পেলেও তাদেরও কষ্ট লাগে। আর এই বিষয়টিই তারা আশা করেন স্ত্রীদের কাছ থেকে যে তারা জানুন যে তিনিও কষ্ট পেতে জানেন।

৩) ‘অতিরিক্ত আশা পূরণের ক্ষমতা আমার নাও থাকতে পারে’
অতিরিক্ত আশা জিনিসটি মানুষের সম্পর্ককে একেবারেই ঠুনকো করে তোলে। আশা বাড়তে থাকলে মনে আশা না পূরণের ব্যথা বাড়তে থাকে যার কারণেই সংসারে সমস্যার সৃষ্টি হতে থাকে। তাই পুরুষেরা চান স্ত্রীরা তাদের যেন সুপারম্যান ভেবে না বসেন, কারণ অতিরিক্ত আশা পূরণের ক্ষমতা তাদের না থাকাটাই স্বাভাবিক।

৪) ‘আমি মানুষ, আমি অন্তর্যামী নই’
নারীদের অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে কোনো ব্যাপারে তাদের দ্বিমত থাকলে বা তাদের মনে আশা থাকলে তারা তা না বলে মনে করেন স্বামী নিজে থেকেই বুঝে নিতে পারবেন এবং না বোঝার কারণে আবার অভিমান করেও বসে থাকেন। এই জিনিসটির কারণে সংসারে অনেক অশান্তির সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাই পুরুষেরা চান স্ত্রী যেন তাদের অন্তর্যামী মনে না করেন, কারণ কারো মনের কথা বুঝে নেয়া সাধারণ মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

৫) ‘আমরাও ভালোবাসি’
নারীরা খুব সহজেই ভালোবাসার প্রকাশ করে ফেলেন, পুরুষেরা যেহেতু একটু কম আবেগ প্রকাশ করতে পারেন তাদের জন্য এই ভালোবাসা প্রকাশটিও কমই থাকে। আর সে কারণে অনেক স্ত্রীই ভাবেন তাদের স্বামীরা তাকে ভালোবাসেন না। কিন্তু ব্যাপারটি তা নয়। পুরুষেরা চান স্ত্রীরা মেনে নিন তারাও ভালোবাসেন কিন্তু প্রকাশ করতে পারছেন না বলে স্ত্রীরা যেনো অভিমান করে কষ্ট না পান।
সূত্রঃ familyshare






মন্তব্য চালু নেই