মেইন ম্যেনু

প্রথমে ধর্ষণ! সেই ভিডিও দেখিয়ে আবার ধর্ষণ, শেষে ২৫ জন মিলে ধর্ষণ করলো কিশোরীকে!

প্রথমে ধর্ষণ। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে বার বার ধর্ষণ। অবশেষে ভিডিও ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২৫ জন মিলে ছিঁড়ে খেল ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন কারণে খবরের শিরোনামে থেকে দিল্লি। তবে সব থেকে বেশিবার দিল্লির নাম উচ্চারিত হয়ে ধর্ষণের মামলায়। খবর-এই সময়এক দিকে কঠোর ধর্ষণ-বিরোধী আইন এনে এই ঘৃণ্য অপরাধকে দমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্য দিকে দিনে দিনে ধর্ষণের ঘটনা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে নাবালকদের মধ্যে ধর্ষণের প্রবণতা সাংঘাতিক হারে বেড়েছে। দিল্লির এই গণধর্ষণের মামলাও এর থেকে আলাদা নয়।

পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার মা বাড়িতে বাড়িতে ঠিকে কাজ করেন। মাবালিকা নবম শ্রেণির ছাত্রী। বন্ধুদের আড্ডায় এক দিন মূল অভিযুক্তের সঙ্গে দেখা হয় তার। গত ১১ অগস্ট বাড়ির কাছেই একটি নির্জন স্থানে মেয়েকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে এবং ঘটনা মোবাইলে তুলে রাখে। এর পর থেকে শুরু হয় ব্ল্যাকমেল। প্রায় প্রতি দিন ভিডিও প্রকাশ করার ভয় দেখিয়ে ছেলেটি মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। কখনও তার সঙ্গে অন্য ব্যক্তিরাও থাকত। বেশিরভাগ সময় মেয়েটির চোখ বেঁধে রাখা হত।নির্যাতিতার মায়ের কথায়, ’লক্ষ্য করছিলাম ওর বাড়িতে ফিরতে দেরি হচ্ছে। জিজ্ঞাসা করতেও কিছু প্রকাশ করেনি। ও এতটাই ভয় পেয়েছিল যে আমাকেও জানাতে চায়নি।’

গত শুক্রবার ঘরে ফিরতে বেশ রাত হয় মেয়েটির। তাঁর মা লক্ষ্য করেন ও ঠিক মতো হাঁটতে এমনকী বসতে পর্যন্ত পারছে না। সারা শরীরে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছিল তাঁর। সারা শরীরে আঁচড়-কামড়ের দাগ। তখনও পর্যন্ত মুখ বন্ধ রেখেছিলেন তিনি। পরে প্রতিবেশী এক মহিলাকে সব জানিয়ে ফেলে। এর পর ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

মেয়েটির মা এর পর এক পরিচিত ব্যক্তির কাছে আর্থিক সাহায্য চান। তার সঙ্গে চিকিত্সকেরও খোঁজ করেন। মুশারফ হুসেন নামে সেই ব্যক্তির বাড়িতে কাজ করেন মহিলা। তাঁকে জিজ্ঞাসা করায় অবশেষে মেয়ের ঘটনা বলেন। হুসেনের পরামর্শ মেনে এর পর পুলিশের কাছে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মেয়েটির মেডিক্যাল পরীক্ষার ব্যবস্থা হয়। তাতে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।

মেয়েটির কাছ থেকে মূল অভিযুক্তের ব্যাপারে জেনে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ছেলেটির বয়স ১৮-র নীচেই। প্রাথমিক

জিজ্ঞাসাবাদে ছেলেটি মেয়েটিকে চিনতে অবধি অস্বীকার করেছে। অপরাধও স্বীকার করেনি। না জানিয়েছে বাকি ২৪ জনের নাম। নির্যাতিতা এতটাই ট্রমার মধ্যে রয়েছে যে বার বার বয়ানে অসঙ্গতি হচ্ছে। আপাতত একটি এনজিও-র উদ্যোগে তার কাউন্সেলিং করানো হচ্ছে। পুলিশ সেই ভিডিয়ো টেপটির খোঁজে রয়েছে। তাদের অনুমান, গণধর্ষণের সময়ও ভিডিয়ো তোলা হতে পারে। সেটি পাওয়া গেলে আরও কিছু প্রমাণ মেলার সম্ভাবনা রয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই