মেইন ম্যেনু

প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবিত সর্বদলীয় সরকার চায় বিকল্প ধারা

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত সর্বদলীয় সরকার আগামী নির্বাচনে চায় বিকল্প ধারা বাংলাদেশ। সোমবার রাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান দলটির যুগ্ম-মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী।

এ দিন সন্ধ্যা ৬টায় সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলটির চেয়ারম্যান একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে চলমান সংলাপে অংশ নেয়। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপকালে দলটির পক্ষ থেকে সাত দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।

পরে দলটির যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেন, আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছি তা নতুন কিছু নয়। সেগুলো হলো গত ৫ জানুয়ারির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বদলীয় সরকারের যে প্রস্তাব দিয়েছেন তারই অংশ।

মাহী বি চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের সময় যে প্রস্তাব দিয়েছেন সেটা তো এখনো আছে। ওনার কাছ থেকে দেয়া প্রস্তাব তো বাতিল হতে পারে না। সেই নির্বাচনকালীন সরকারের উদ্যোগ যদি গ্রহণ করা হয় তাহলে আগামীতে সর্বদলীয় নির্বাচন সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে কি ছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন সরকারি দল থেকে পাঁচজন, প্রধান বিরোধী দল থেকে পাঁচজন আর অন্যান্য দল থেকে লোক নিয়ে এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিরোধী দলের হাত দিয়ে যদি একটা সর্বদলীয় সরকার গঠন করা যায় তাহলে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব। যদিও গতবার বিএনপি আসেনি এ প্রস্তাবে। সেটা তাদের রাজনৈতিক ভুল কিনা সেটা তারাই বলতে পারবেন।

তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তার বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে রাষ্ট্রপতিকে। তিনি আমাদের আশস্ত করেছেন। ওনার যা যা করার ক্ষমতা আছে তা করবেন। আজকের বৈঠকের পর আমরা অনেক বেশি আশাবাদী আগামীতে সব দলের অংশগ্রহণে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা জানি দুর্ভাগ্যবশত সংবিধানের দুটি ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা খুব সীমাবদ্ধ। শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির নিয়োগ ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ে সরাসরি তিনি কোনো কথা বলতে পারেন না। কিছু করতে হলে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে হয় রাষ্ট্রপতিকে।

মাহী বলেন, রাষ্ট্রপতির আলোচনা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হবে যদি তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নামগুলো নিতে পারেন। আপনি কাদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দিতে চান এ রকম ১০-১২টা নাম দেন। সেই নাম নিয়ে আমরা সবাই আলোচনা করলে সংলাপ ফলপ্রসূ হবে।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও দলটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, বিকল্প ধারা নেতা শাহ আহমেদ বাদল, ড. কাজী কামাল, মাহবুব আলী, প্রফেসর আনোয়ারা বেগম, আবদুর রউফ মান্নান, বেগম মাহতাব উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ ইউসুফ, খন্দকার যোবায়ের হোসেন, শিপ্রা রহিম, ওবায়েদুর রহমান মৃধা, মো. ওয়াসিমুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুর রহমান, মো. মহসিন চৌধুরী ও বিএম নিজাম উদ্দিন।






মন্তব্য চালু নেই