মেইন ম্যেনু

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য অশালীন ও অমানবিক : রিপন

বিএনপির মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, কুড়িগ্রামের দাসিয়ারছড়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে যে অশালীন কটূক্তি করেছেন তা শুধু সত্যের অপলাপই নয়, এটা রীতিমতো অমানবিক।

তিনি বলেন, সবাই জানেন বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থতার কারণে বিদেশে চিকিৎসাধীন আছেন। সেখানে তিনি চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত নেই। কিন্তু দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর এমন অশালীন কথাবার্তা হিংসা ও হানাহানির রাজনীতিকে উস্কে দেবে।

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শুক্রবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার এমন বক্তব্য মানুষ পছন্দ করে না। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও আওয়ামী লীগের বুদ্ধিজীবীদের কাছে এই বক্তব্য কতটা শালীন মনে হয় সেই প্রশ্ন রেখে দিলাম।

রিপন বলেন, রাজনীতিতে হিংসা, হানাহানি মানুষ পছন্দ করে না। কারণ এর জন্য মানুষের রাজনীতির প্রতি অনীহা তৈরি হয়। এমন বক্তব্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রাজনীতিতে আসতে নিরুৎসাহিত করে।

বিএনপি গণতান্ত্রিক পন্থায় রাজনীতি করে দাবি করে তিনি বলেন, জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতি বিএনপি করে না। এর সঙ্গে বিএনপি কখনো জড়িত ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না। বরং বিগত আন্দোলনের সময় সরকার ও তাদের দলের লোকেরা জ্বালাও-পোড়াও করেছে। তাদের অনেকে বোমা ও নাশকতার সরঞ্জামসহ আটক হয়েছে, যা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।

১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বিএনপি সরকার কোনো পদক্ষেপ নেয়নি- দাসিয়ারছড়ায় শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে রিপন বলেন, এই বক্তব্য সত্যের অপলাপ। চুক্তিটি ছিল দ্বিপাক্ষিক। বাংলাদেশ আগেই তা বাস্তবায়ন করেছিল। দুঃখজনক বিষয় ভারত তা কখনই বাস্তবায়ন করেনি। দীর্ঘদিন পরে ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংসদে আইন পাস করে এটা বাস্তবায়ন করেছেন।

দাসিয়ারছড়ায় একটি ইউনিয়নকে মুজিব-ইন্দিরা নামকরণে সরকারের চিন্তার সমালোচনা করে রিপন বলেন, এটা বাস্তবভিত্তিক নয়। কারণ এই চুক্তি বাস্তবায়নে ইন্দিরা গান্ধীর কোনো ভূমিকা নেই। বরং এখানে মোদির নাম যুক্ত করলে তা বাস্তবভিত্তিক হতো।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- এ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন, তকদির হোসেন জসিম প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই