মেইন ম্যেনু

প্রধান বিচারপতির মন্তব্য খতিয়ে দেখব : আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন ‘অদক্ষ’ বলে প্রধান বিচারপতি যে মন্তব্য করেছেন তা খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

সচিবালয়ে নিজ দফতরে মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশনকে অদক্ষ বলা হচ্ছে-এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এ কমেন্ট প্রধান বিচারপতি করেছেন। মাননীয় প্রধান বিচারপতি যখন কোনো কমেন্ট করেন তখন সেটা প্রণিধানযোগ্য, সেটাকে বিবেচনা করা উচিত। কিন্তু বিবেচনারও একটা সময় দিতে হয়। আমি মনে করি আমরা খতিয়ে দেখব মাননীয় প্রধান বিচারপতি কেন এটা বলেছেন। তার কথার যৌক্তিকতা নিশ্চয়ই আছে। সে ক্ষেত্রে আমরা খতিয়ে দেখার পর এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।’

ট্রাইব্যুনাল সরানো : জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে

সুপ্রিম কোর্ট থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরানোর জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে-এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে আনিসুল হক বলেন, ‘এ ব্যাপারে বিবেচনার প্রয়োজন আছে এবং আলোচনার প্রয়োজন আছে। আমি সার্বিকভাবে সবকিছু জেনে-বুঝে তারপর ব্যবস্থা নেব। এখানে যেটা সবচেয়ে বেশি কাজ করবে সেটা হচ্ছে, জনগণের ইচ্ছা সেটাই প্রাধান্য পাবে।’

রাশেদ চৌধুরীকে ফেরাতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস কেরির

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গতকাল (সোমবার) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির সঙ্গে আলোচনায় অংশগ্রহণ করি। এর আগে যখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ হয় তখন তিনিও (প্রধানমন্ত্রী) বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার আসামি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমি লাঞ্চের সময় তাকে (কেরি) অনুরোধ করি রাশেদ চৌধুরী সেখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) আছে (তাকে ফিরিয়ে দিতে)। অনুরোধ করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি আমাকে বলেছেন, আমি ফিরে গিয়েই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেব।’

‘গতকাল যে আলোচনা হয়েছে তাতে আমার মনে হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব আরও অনেক সুদৃঢ় হবে’ বলেন তিনি।

জন কেরি এর আগে একজন যুদ্ধাপরীর ফাঁসি কার্যকর না করতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন-এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আপনাদের অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় বলতে পারি, যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য কোনো কথাই বলেনি। তাদের সঙ্গে যে আলাপ-আলোচনা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের মন্ত্রীর সঙ্গে আমার যে আলোচনা হয়েছে তাতে যুদ্ধাপরাধীদের ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য তারা রাজি হয়েছেন। সেখান থেকেই আপনারা বুঝতে পারেন তাদের কী মত।’

আনিসুল হক বলেন, ‘আমি মনে করি আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যে মর্যাদার স্থানে বসিয়েছেন সেটার বিবেচনায় পৃথিবীর অনেক দেশেরই বাংলাদেশের প্রতি তাদের যে এটিচিউড (মনোভাব) সেটা পাল্টাচ্ছে।’






মন্তব্য চালু নেই