মেইন ম্যেনু

প্রবল বর্ষণে আশাশুনিতে তলিয়ে গেছে ঘের ॥ ভেড়ী বাঁধের ২০ পয়েন্ট হুমকীর মুখে

গত কয়েক দিনে প্রবল বর্ষণে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনির বিভিন্ন খাল-বিল-মৎস্য ঘের বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে ।ভেড়ী বাঁধ ২০ পয়েন্টে হুমকীর মধ্যে রয়েছে। জনমনে চভেড়ীবাধটি রম নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে জেলেখালী-দয়ারঘাট বাঁধ ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের।

পবিত্র রমজান মাসের শুরু থেকে বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টি শুরু হয়ে বলতে গেলে বিরামহীন ভাবে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। দেড় মাসের বিরামহীন বৃষ্টিপাত এবং মাঝে মধ্যে মুষুল ধারার বৃষ্টিপাতে উপজেলার সকল নিম্ন অঞ্চল অনেক আগে থেকে তলিয়ে গেছে। প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মৎস্য ঘেরগুলোর মধ্যে একটু নীচুগুলো ইতিমধ্যে নিমজ্জিত ও একাকার হয়ে গেছে। বাকীগুলো প্লাবনের হাত থেকে রক্ষা করতে মৎস্যচাষীরা নেটজাল বা মাটি দিয়ে শেষ রক্ষায় ব্যস্ত রয়েছেন। ফলে হাজার হাজার একর জমির মৎস্য ঘেরের মাছ অন্যের ঘেরে-জলাশয়ে কিংবা নদীতে ভেসে গেছে। বাকীগুলো নিয়ে মহা দুশ্চিন্তায় পড়েছে ঘের মালিকরা।

এদিকে উপজেলার ১১ ইউনিয়নের মধ্যে আশাশুনি সদর, শ্রীউলা, প্রতাপনগর, খাজরা, আনুলিয়া, বুধহাটা, কাদাকাটি, কুল্যা ও বড়দল ইউনিয়নের ২০টি পয়েন্টে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভেড়ী বাঁধে ঝুঁকি বিরাজ করছে। এসব বাঁধ দীর্ঘকাল যাবৎ ভাঙ্গন কবলিত। যেকোন মূহুর্তে বাঁধ ধস নেমে এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশংখা রয়েছে। এর মধ্যে আশাশুনির সদরের জেলেখালী-দয়ারঘাটের অবস্থা খুবই ভয়াবহ।

ওয়াপদা বাঁধে ভয়াবহ ফাটল ধরেছে। পাউবোর কোন কর্মকর্তার হদিস নেই। বাঁধ রক্ষায় স্থানীয় জনগণ স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করে চলেছে দীর্ঘ দিন। আতঙ্কিত এলাকাবাসি তাদের প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজেও ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা বর্ষনে ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে আট ফুট রাস্তার মাত্র এক ফুেটর মত অবশিষ্ট আছে। সরেজমিনে এলাকাঘুরে দেখাগেছে, খোলপেটুয়া নদীর জেলেখালী-দয়ারঘাট ওয়াপদা ভেড়িবাঁধ টানা ভারী বর্ষণে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে।

সুন্দরবন হ্যাচারী সংলগ্ন এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ ফাটল ও রাস্তা চুঁইয়ে ভেতরে পানি আসতে থাকায় স্থানীয়রা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এছাড়া প্রতাপনগর, শ্রীউলা, আনুলিয়া, খাজরা, বড়দল, বুধহাটা ও কুল্যা ইউনিয়নে কয়েকটি স্থানের অবস্থাও ঝুঁকিতে রয়েছে।

বড়দলের কেয়ারগাতি খেয়াঘাটের দক্ষিণ পাশে খোলপেটুয়া নদীর তীরে বাঁধে বড় ফাঁটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির পানি ফাটলে ঢুকে অবস্থা বেগতিক হয়ে পড়েছে। উপজেলার ২০টি পয়েন্টে বাঁধ রক্ষায় এগিয়ে আসার জন্য এলাকাবাসী পাউবো ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই