মেইন ম্যেনু

প্রেমিকার ওড়নায় ঝুলছে প্রেমিকের লাশ

নড়াইলে প্রেমিকা মারিয়া ইসলাম তন্নীর বাড়ি থেকে প্রেমিক আহাদুলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার গলায় যে ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগানো ছিল সেটি মারিয়ার বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের সজনরা।

বৃহস্পতিবার সকালে নড়াইল শহরের দক্ষিণ নড়াইল গ্রামের একটি লিচু গাছের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা হেদায়েত শেখ জানান, আহাদুল নড়াইল পলিটেকনিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র ছিল। প্রতিবেশী তরিকুল ইসলামের মেয়ে মারিয়া ইসলাম তন্নীর সঙ্গে তার প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ছিল। বিষয়টি নিয়ে ১০-১৫ দিন আগে তরিকুল ইসলামের এক প্রতিবেশী তাকে নানাভাবে শাসিয়ে যান।

তিনি জানান, গত বুধবার রাতে আহাদুল বাড়ির পাশে তার খালার বাড়ি গিয়ে ক্রিকেট খেলা দেখছিল। রাত ৯টার দিকে তাকে কে বা কারা ফোনে ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাত ৩টার দিক তরিকুল ইসলামের বাড়ির পাশের লোকজন এসে তাকে বলেন, ‘আপনার ছেলে তরিকুল ইসলামের বাড়ির সীমানা প্রাচীরের মধ্যে থাকা একটি লিচু গাছের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে মারা গেছে।’

বৃহস্পতিবার সকালে নড়াইল থানা পুলিশ এসে তার মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তার গলায় যে ওড়না ছিল তা মারিয়ার। তারা আহাদুলকে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখেছে বলেও অভিযোগ করেন হেদায়েত শেখ।

এ ব্যপারে তরিকুল ইসলামের স্ত্রী শিরিনার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয় নিয়ে আমি কারও সঙ্গে কথা বলতে চাই না।’

এদিকে, হত্যার প্রতিবাদ ও হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে নড়াইল পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এহসান হাবীব তুফানের নেতৃত্বে এলাকার দুই শতাধিক নারী-পুরুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছে। পরে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে গিয়ে হত্যাকারীদের বিচার দাবি করে।

নড়াইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আহাদুলকে কেউ হত্যা করেছে না তিনি নিজেই আত্মহত্যা করেছেন বিষয়টি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর জানা যাবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।






মন্তব্য চালু নেই