মেইন ম্যেনু

প্রেমিকার জন্য টানা ১০দিন বিমানবন্দরে অপেক্ষা, অতঃপর যা হলো!

একটা সম্পর্কের মূল ভিত্তি বিশ্বাস। সেই বিশ্বাসকেই তো আঁকড়ে ধরেছিলেন এই ডাচ নাগরিক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে বিশ্বাসের খেসারত দিতে হলো তাকে। ‘পাগলপ্রেমিক’ কথাটা ক্লিশে মনে হলেও অ্যালেক্সজান্ডার পিটার কির্কের ক্ষেত্রে এর চেয়ে ভালো বিশেষণ পাওয়া যাচ্ছে না। প্রেমিকার অপেক্ষায় টানা ১০ দিন এক জায়গায় ঠায় অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত কোলাপ্সড হয়ে হাসপাতালে পিটার।

একটি মেসেজিং অ্যাপ-এর মাধ্যমেই অনলাইনে পরিচয় হয়েছিল ঝ্যাং নামে এক চীনা মহিলার সঙ্গে। ২৬ বছর বয়সি ওই চীনা তরুণীর সঙ্গে অনলাইনেই গড়ে ওঠে সম্পর্ক। ঝ্যাং-কে পাগলের মতো ভালোবেসে ফেলেন বছর ৪১-এর ডাচ নাগরিক অ্যালেক্সজান্ডার। ঝ্যাং তাকে বলেন, চীনে এলে তার তিনি দেখা করবেন। অ্যালেক্সজান্ডার তা শুনেই কেটে ফেলেন বিমানের টিকিট।

হাজির হয়ে যান চাংসা হুয়াংহুয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে। ফোন করেন ঝ্যাংকে। ঝ্যাং প্রথমে বলেন, আসছি, পরে জানিয়ে দেন তিনি বিমানবন্দরে যেতে পারবেন না। এরপরই অ্যালেক্সজান্ডার তাকে বলেন, তিনি অপেক্ষায় রইলেন। সত্যিকারের অপেক্ষা। বিমানবন্দরে একই সিটে বসে অপেক্ষা করতে শুরু করেন তিনি। একদিন, দু’দিন, তিন দিন যায়… ঝ্যাং আসেনি। এই ভাবে টানা ১০ দিন অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সিটেই এলিয়ে পড়েন অ্যালেক্সজান্ডার। তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।

ঝ্যাং-এর সঙ্গে একটি চীনা সংবাদমাধ্যম যোগাযোগ করলে ঝ্যাং বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম আমাদের সম্পর্কটা এগিয়ে নিয়ে যাবো। কিন্তু পরে মনে হয়েছিল, অ্যালেক্সজান্ডার কিছুটা ক্যালাস। হঠাত্‍‌ই ও আমাকে বিমানের টিকিটের ছবি পাঠাল। আমি ভাবলাম ঠাট্টা করছে। তারপর ও আর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।’

সুস্থ হয়ে নেদারল্যান্ডস ফিরে গিয়েছেন অ্যালেক্সজান্ডার। যাওয়ার সময় বলে গিয়েছেন, ‘আমি আমাদের অনলাইন সম্পর্কটা চালিয়ে যেতে চাই। ঝ্যাংয়ের যদি অসুবিধে না থাকে।’-টাইমস অফ ইন্ডিয়া






মন্তব্য চালু নেই