মেইন ম্যেনু

প্রেমিকা আপনাকে স্রেফ ব্যবহার করছে না তো?

প্রেমের ফাঁদ পাতা এই ভূবন জুড়ে। প্রেমে পড়তেই পারেন তাতে দোষ নেই। তবে পড়ে যেন হাত-পা ভাঙবেন না। মনের মানুষটিকে খুঁজে পেলে তো কথাই নেই। কিন্তু যদি না পান! যাকে প্রেমিকা ভেবে মন-প্রাণ-সময় উত্‍সর্গ করছেন তিনি কি আদৌ আপনাকে ভালোবাসেন? নাকি স্রেফ আপনাকে ব্যবহার করছেন? নীচের কিছু লক্ষ্মণ দেখলেই তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। যদি এর সঙ্গে আপনার প্রেমিকার ব্যবহারের কোনও মিল থাকে তবে মানে মানে কেটে পড়ুন। না হবে ভবিষ্যতে বড় চোট পেতে পারেন। কী সেই লক্ষ্মণ দেখে নিন:

১. প্রেমিকার যখন দরকার পড়বে তখন মাঝ রাতেও আপনাকে ফোন করবেন। কিন্তু যখন আপনার দরকার থাকবে তখন তাঁর কথা শোনার সময় থাকবে না।

২. সাধারণ আপনার সঙ্গে বাইরে বেরোতে নানা ছুতো দেন। কিন্তু যখন অন্য কোনও সঙ্গী না থাকে তখন আপনিই ভরসা। অগত্যা বেরতে হয়। এমনটা হলে বুঝে নেবেন আপনি ব্যবহৃত হচ্ছেন।

৩. নিজের নানা সমস্যার কথা আপনাকে বলেবে এবং আপনাকে তা মন দিয়ে শুনতে হবে। যখন আপনি খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাবেন তখন তিনি মোবাইলে গেমস খেলতেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বা প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলেন।

৪. আপনি হচ্ছে তাঁর পার্টিতে যাওয়ার ঢাল, পার্টিতে পৌঁছলেন ব্যস, তিনি আর আপনাকে চিনবেন না। এমনকী অনেক সময় বন্ধুদের সঙ্গেও আলাপ করাতে চাইবেন না।

৫. যত বারই বাইরে খাবেন কি কোথাও বেড়াতে যাবেন, তাঁর টাকার ব্যাগটি থাকবে সযত্নে। আপনারই পকেট খসবে প্রতিবার।

৬. ফোনের ব্যালান্স শেষ হলে আপনিই ভরসা। শপিংয়েও আপনিই নিয়ে যাবেন। তবে একটা শর্ত আছে, যদি তাঁর আর কোনও বন্ধু সঙ্গে যাওয়ার জন্য না জোটে। আপনার বাইক বা গাড়ির পেছনে চেপে ঘুরবেন, আপনি তাঁকে বাড়িও পৌঁছে দেবেন, তবে কোনও প্রশ্ন করা চলবে না।

৭. ফোন বা এসএমএস করে যান। কোনও রিপ্লাই নেই। রিপ্লাই তখনই দেন, যখন তাঁর কোনও স্বার্থ জড়িতে থাকে।

৮. ভুল যেই করুন ক্ষমা আপনাকেই চাইতে হবে। কারণ আপনার প্রেমিকা ভুল করতেই পারেন না। বেশি অভিযোগ করলে কান্না তো আছেই। একেবারে ভাসিয়ে দেবেন।

৯. একজন প্রেমিক তাঁর প্রেমিকার জন্য যা যা করেন সে সব কিছু আপনাকে করতে হবে। তবে বিলেশনশিপ স্ট্যাটাস-এ Just Friends.

১০. সারা দিনের আপনার সঙ্গে কাটানোর প্ল্যান। তবে শেষ মুহূর্তে এসে ক্যান্সেল। তবে সরি কথাটি একবারও শুনতে পাবেন না তাঁর মুখে।

১১. প্রাক্তন প্রেমিক হোন বা বর্তমান সখী, সকলে দেখাতে আপনি তাঁর ‘আর্ম ক্যান্ডি’। বন্ধুদের সামনে সেটা বোঝানোর জন্য আপনার সঙ্গে ফ্লার্টও করছেন দেদার। মনে রাখবেন এটা তিনি তাঁর নিজের স্বার্থের জন্যই করছেন।

১২. আপনি কত রোজগার করেন, কোন সংস্থায় কাজ করেন, আপনার বন্ধুরা ঠিক সমাজের কোনও স্তরে রয়েছেন, এ সব ব্যাপার জানতে তাঁর আগ্রহের শেষ নেই। তবে আপনি মানুষ হিসাবে সত্যি কেমন সেটা জানার কোনও আগ্রহ নেই।

১৩. আপনার ব্যাপারে তিনি কোনও ভাবেই ভাবিত নন। এমন ‘আমি’ সর্বস্ব প্রেমিকাদের থাকে সাবধান হোন। মনে রাখবেন শুধুমাত্র দরকার পড়লে যে আপনাকে মনে করেন তিনি কখনও প্রকৃত বন্ধু হতে পারেন না। আপনার ব্যাথার যিনি কাতর হবেন, বরং তেমন কাউকে খুঁজুন।






মন্তব্য চালু নেই