মেইন ম্যেনু

প্রেমিক খুঁজছে জীবন্ত বার্বি ডল

ব্রিটেনে এই প্রথম ‘জীবন্ত বার্বি’র দেখা মিলেছে। ২২ বছর বয়সী এই বার্বির নাম হান্নাহ গ্রেগরি। সে যুক্তরাজ্যের শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। হান্নাহ’র কোমড়ের মাপ মাত্র ২২ ইঞ্চি।

তবে দুঃখের বিষয় হলো, হান্নাহ গ্রেগ্ররির কোনো ‘জীবনসঙ্গী’ নেই। ভ্যালেন্টাইন ডে’তে ডেট করার জন্য তাই সে প্রেমিক খুঁজছে। তবে হান্নাহর অভিযোগ, অধিকাংশ পুরুষই প্রেমের শুরুতেই যৌন সম্পর্ক করতে চায়।

বার্বি ডলের মতো চেহেরা ধরে রাখতে প্রতিদিন হান্নাহ প্রায় ৯০ মিনিট সময় ব্যয় করেন। তার ডাগর চোখে মায়া আনতে সে বিশেষ কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করে এবং কৃত্রিম চোখের পাতা ব্যবহার করে।

হান্নাহ গ্রেগরি বলেন, আমি গোলাপি রংয়ের ছোট স্কার্ট এবং জামা পড়তে পছন্দ করি। তাছাড়া, আমাকে আকর্ষণীয় এবং বার্বি রাজকুমারীর মতো দেখায় এমন যেকোনো ড্রেস পড়তে পছন্দ করি। আর সবসময় হিল পড়ি।

হান্নাহ দাবি করেছেন, তার চমকপ্রদ চেহারা তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। কিন্তু এটি তাকে ‘ছেলেবন্ধু’ পেতে সহায়তা করেনি।

হান্নাহ বলেন, যখন বড় হতে লাগলাম আমি আমার চেহেরা নিয়ে খুব লজ্জা পেতাম এবং অপ্রতিভ থাকতাম। ভাবতাম আমি কুশ্রী ও রোগা।

কিন্তু এখন হান্নাহ তার ত্বক নিয়ে খুব সুখী। সে এখন ভালোবাসার মানুষ খুঁজছে।

হান্নাহ যুক্তরাজ্যের নটিংহামশায়ারে থাকে। সে মনে করে, পুরুষরা তার প্রতি আকৃষ্ট হয় শুধু তার চেহেরা দেখে।

হান্নাহ গ্রেগরি বলেন, অধিকাংশ পুরুষ আমার বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে আকৃষ্ট হয়। আমার মন কেমন তা তারা খোঁজার বা জানার চেষ্টা করে না। তারা আমাকে পুতুলের মতো মনে করে এবং দ্রুত যৌন সম্পর্ক করতে চায়।

হান্নাহ আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষে উঠার পর আমি কোরিয়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে আমার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য লাইন লেগে যায়। বিদেশি বার্বি হওয়াতে প্রচুর মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হই।

ইনস্টাগ্রামে হান্নাহর ১৮ হাজার ভক্ত রয়েছে। সেখানে সবাই তার পুতুলের মতো চেহেরার প্রশংসা করে।






মন্তব্য চালু নেই