মেইন ম্যেনু

প্রেমের সম্পর্কে থাকলে ফেসবুকে যা করবেন না!

এখনকার যুগের নেটিজেনদের কাছে ফেসবুক খুব গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ফেসবুক প্রোফাইল দেখে ব্যক্তির অভিরুচির আভাস অধিকাংশ ক্ষেত্রে মেলে। বোঝা যায়, ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য ও সে কেমন মানুষ। এমনই “ফেসবুক”সর্বস্ব ব্যক্তিদের প্রেম-পর্বও অনেকক্ষেত্রেই ফেসবুক থেকেই ঘটতে দেখা যায়।

ফেসবুকেই আলাপ, ফেসবুকেই প্রেম, বিয়ে, ফুলশয্যা, হানিমুন, সন্তানের জন্ম, প্রতিপালন… আবার ডিভোর্সটাও পারলে ফেসবুকেই সেরে ফেলে। তাই “ফেসবুক”সর্বস্ব ব্যক্তির কিছু নিয়ম মেনে চলা বাঞ্ছনীয়। বিশেষ করে প্রেমের ব্যাপারে। সম্পর্কে জড়ানোর পর অনেককিছুই ফেসবুকে করতে মানা। তা হলেই তিতকুটে হতে শুরু করে সম্পর্ক। যেমন –

বিপরীত লিঙ্গের এমন কাউকে ফ্রেন্ডলিস্টে রাখা, যাকে সঙ্গীর পছন্দ নয়
– প্রেমিকা সুন্দরী হলে অনেক পুরুষই তাঁর প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে। ফেসবুক হল সেই আগ্রহ জাহির করার আদর্শ জায়গা। এখনকার দিনে মেয়েরা ফেসবুকে প্রতিদিনই গুচ্ছগুচ্ছ ফোটো পোস্ট করে। পোস্ট করা মাত্রই লাইক আর কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়।

সংখ্যাটা পুরুষদেরই বেশি। সেই তালিকায় এমন কোনও পুরুষও থাকতে পারে, যে প্রেমিকাকে কমেন্টে কমেন্টে ভরিয়ে দিতে পারে। ফাঁকতালে ফ্রেন্ডলিস্টেও চলে আসতে পারে তার নাম। প্রেমিক হিসেবে ব্যাপারটা ভালো না লাগারই কথা। আবার ফ্রেন্ডলিস্টে হয়তো রয়ে গেল এক্স। এটাও কিন্তু অপছন্দের বিষয় হতে পারে।

এক্সের স্থান অ্যালবামে নয়
– এখন তো ফেসবুক খুললেই বেরিয়ে পড়ে কারও কারও প্রেমকাহিনি। অ্যালবামে ঠাসা থাকে ফোটো। কতজনের সঙ্গে প্রেম, সময়ে সময়ে চলে আসে সব আপডেট। সেই ফোটোর ভিড়ে এক্সের সঙ্গে অন্তরঙ্গ কোনও ফোটো কিন্তু বর্তমান সম্পর্কে আগুন ধরাতে পারে। তাই সেই ফোটোগুলি ডিলিট করে দেওয়াই ভালো।

রিলেশনশিপ স্টেটাস
-“ফেসবুক”সর্বস্বরা প্রেমিক/প্রেমিকাদের মনে কীভাবে জ্বালা ধরায় জানেন? রিলেনশিপ স্টেটাস বদলে। যেমন – in a relationship থেকে single, বা engaged থেকে it’s complicated লিখে। সম্পর্কে কলহ না চাইলে সঙ্গীকে না জিজ্ঞেস করে রিলেশন স্টেটাস একেবারেই বদলানো উচিত না।

ব্যক্তিগত সমস্যা ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করা আর নয়
-এটা হলো সবচেয়ে নির্বোধের মতো কাজ। “ফেসবুক”সর্বস্ব ব্যক্তিরা সম্পর্কের ব্যক্তিগত সমস্ত কিছু ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন। এতে কোনও লাভ হয় না। অন্যরা বিরক্ত হয়। না হলে হাসাহাসি করে।






মন্তব্য চালু নেই