মেইন ম্যেনু

প্রেম নিবেদন করতে বিভিন্ন দেশের মানুষ যত বিচিত্র কৌশল অবলম্বন করে!

প্রেম নিবেদন সবসময়ই বিশেষ কিছু। দেশের বিভিন্ন দেশের প্রেম নিবেদনের রীতি একেক রকম। কোনো দেশ বা কোনো সংস্কৃতির মানুষ কীভাবে ভালোবাসার মানুষটিকে বিশেষ অনুভূতি জানায় দেখুন ছবিতে

১. অস্ট্রিয়ায় প্রেম নিবেদনে প্রয়োজন আপেল

0,,18466446_303,00

অস্ট্রিয়ায় মেয়েদের মধ্যে প্রেম নিবেদনের অদ্ভুত এক রেওয়াজ আছে৷ গ্রাম এলাকায় ঐতিহ্যবাহী নাচের সময় মেয়েরা আপেল নিয়ে বগলের নীচে রাখে৷ আর কিছুক্ষণ পর সেই আপেল তুলে দেয় ভালোলাগার মানুষটির হাতে৷ ছেলেটি যদি আপেলটি খায়, তাহলে বুঝে নিতে হবে যে, সে প্রেম করতে রাজি৷

২. শিস বাজিয়ে…

0,,18466444_303,00

মেক্সিকোর কিকাপু জনগোষ্ঠীর পুরুষেরা প্রেম করে শিস বাজিয়ে৷ সত্যিই তাই৷ যাকে পছন্দ তাকে শিস বাজিয়ে ডেকে নেয় প্রেমিক পুরুষ৷ মেয়েটি সাড়া দিলে শুরু হবে কথা৷ তবে সে কথায় একবারও আসবে না, ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি৷’ আশপাশে লোকজন থাকলে তো বটেই, না থাকলেও আকার-ইঙ্গিতেই একে-অপরকে বলবে ‘ভালোবাসি’৷

৩. বড়দিনই বড় উপলক্ষ্য

0,,18146910_303,00

প্রেম আছে, বিরহ-বিচ্ছেদও আছে৷ তবে আগের মতো বিরহ বা বিচ্ছেদের সময় সবার এত দীর্ঘ হয় না৷ পাশ্চাত্যে প্রেমিক বা প্রেমিকা সাধারণত বিচ্ছেদের চার-পাঁচ মাসের মধ্যেই নতুন কাউকে খুঁজতে শুরু করে৷ আমাদের যেমন ঈদ, বইমেলা বা সরস্বতী পুজো, তেমন ইউরোপে নতুন সম্পর্ক শুরুর জন্য বেশিরভাগেরই পছন্দ বড়দিনের সময়টা৷ বিশেষ করে বড়দিনের দু’সপ্তাহ আগের সোমবারটাই বেশিরভাগ তরুণ-তরুণীর পছন্দ৷

৪. সেক্স এ হতে পারে বিপদ

0,,18466447_303,00

প্রেম নিবেদনের অংশ হিসেবে পাশ্চাত্যে অনেক দেশেই প্রথম ডেট এই সেক্স হয়ে থাকে। তবে পাশ্চাত্যে অনেকে প্রথম ডেট-এ সেক্সকে মোটামুটি অপরিহার্য মনে করলেও, বাস্তবে খুব কম মানুষই বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখেন৷ ‘টাইম আউট’ ম্যাগাজিন বিশ্বের নানা শহরের ১১ হাজার মানুষকে নিয়ে একটা জরিপ চালিয়েছিল৷ সেখানে মাত্র ১০ ভাগ মানুষ প্রথম ডেট-এ সেক্সকে সমর্থন জানিয়েছেন৷

সূত্র: ডয়চে ভেলে






মন্তব্য চালু নেই