মেইন ম্যেনু

প্লুটোকে ছুঁতে পারল মানুষ, মহাবিশ্বে ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হল মানব সভ্যতা (ভিডিও)

হ্যাঁ, মানুষই পারে। ৯ বছর পর ৩ লক্ষ কোটি মাইল পেরিয়ে অবশেষে প্লুটোকে ছুঁতে পারল মানবসভ্যতা। সেই সঙ্গে ভেঙে গেল অনেক মিথ। সৌরজগতের শেষ সীমা প্লুটোর স্পষ্ট ছবি চলে এল মানুষের হাতে। একটা সময় যে গ্রহের অস্তিত্ব নিয়ে সংশয় উঠেছিল, সেই গ্রহেই মানুষের দৃষ্টি পৌঁছে গেল। নাসা প্রমাণ করল কোনও দূরত্বই আর মানুষের কাছে দূর নয়।

প্লুটোর রঙ এতদিন মনে করা হত নীল, কেউ কেউ আবার বলেছেন এর রঙ সাদা। দেখা গেল প্লুটোর রঙ লাল। আর অবাক করা কথা হল প্লটোর ছবিতে দেখা গেল তাতে ‘খোদাই’ করা আছে লাভ সাইন বা হার্ট সাইন, হৃদয় চিহ্ণ। প্লুটোর ছবি চাক্ষুষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ঝড়। অনেকেই বলছেন, প্লুটোতেও ভগ্ন হৃদয়। আয়তনে পৃথিবীর চাঁদের থেকে প্লুটো পাঁচগুণ ছোট। তবে যতটা মনে করা হয়েছিল তার চেয়ে বড় প্লুটো।

groho

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, পৃথিবী থেকে মঙ্গল যতটা দূরে, এই গ্রহটি তারচেয়েও ৪০০ গুণ বেশি দূরে। জেট বিমানে করে গেলে এই গ্রহে গিয়ে পৌঁছাতে লাগতো ৭০০ বছর। প্লুটোর দিকে নিউ হরাইজন ছুটছে সেকেন্ডে ১৪ কিলোমিটার গতিতে। এই যানটি যাচ্ছে গত দশ বছর ধরে। অন্যান্য মিশনে যেমন মঙ্গল গ্রহে কিংবা চাঁদে অবতরণ করেছে, অথবা চারপাশে ঘুরে বেড়িয়েছে এই মিশনে সেরকম হবে না।

pleto_0

কারণ প্লুটোতে নামতে হলে রোভারের গতি কমাতে হবে ৯০ ভাগ। সূর্যের এই দূরতম বামনগ্রহ প্লুটোর মহাকর্ষের প্রভাবে থাকতে যতটা জ্বালানির প্রয়োজন হবে সেটাও ওই যানটিতে বহন করা অসম্ভব। ফলে এই যানটির প্লুটোর পাশ দিয়ে ছুটে যাওয়ার সময়টুকুর মধ্যেই ছবি তোলার কাজটি করতে হত।

gt

৫০ বছর আগে মানুষ প্রথম দেখছিল সৌরপরিবারের সদস্য মঙ্গলকে। ১৯৬৪ সালে ম্যারিন ফোর মহাকশ যান মুখোমুখি হয়েছিল মঙ্গলের। আর তারপরই মঙ্গলের ছবি দেখতে পায় পৃথিবী। এরপর ২০ বছরের মাথায় সৌরজগতের সবথেকে বড় গ্রহ বৃহস্পতির ছবি দেখি আমরা। সৌজন্যে গ্যালিলিও মহাকাশ যান। মানুষের স্বপ্ন থেমে থাকেনি। ‘সাইন্স নেভার স্লিপ্স’। মানুষের স্বপ্নকে সফল করতে বিজ্ঞানও ঘুমোয়নি। নিরলস প্রচেষ্টার পর প্লুটোর মুখোমুখি মহাকাশ যান নিউ হরাইজন।

ভিডিও:






মন্তব্য চালু নেই