মেইন ম্যেনু

ফরিদপুর হার্ট ফাউন্ডেশনে বিদ্যুৎতের জন্য রোগীদের ভোগান্তি চরমে

ফরিদপুরে হাটের্র চিকিৎসায় একমাত্র ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পরিচালনায় প্রতিষ্ঠিত ফরিদপুর হার্ট ফাউন্ডেশন সেই হার্ট ফাউন্ডেশনে স্পর্শকাতর রোগীদের বিদ্যুৎতের জন্য ভোগান্তির যেন শেষ নেয়। এখানে যারা চিকিৎসা সেবা গ্রহন করে থাকে তারা অত্যন্ত স্পর্শকাতর রোগী হয়ে থাকে। অন্যান্য রোগী থেকে এরা থাকে প্রতিটি মূহর্তে স্পর্শকাতর। আর সেই সব রোগীরা এখানে থাকছে খুব নাজুক অবস্থায় আর সেটি বিদ্যুৎতের কারনে। এখানে বিদ্যুৎ দিন-রাত থাকে আসা যাওয়ার মধ্যে।

এ ব্যাপারে খোজঁ নিয়ে সরোজমিনে দেখা গেল বিদ্যুৎ চলে গেলে রোগীদের হাত পাখার বাতাস খেতে হয় সারাক্ষন নইলে ঘামের যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়। কিন্তু পাশের রুমে ও অর্ভথ্যনা কক্ষে চলছে দিব্যি ফান ও লাইট। মেরিনা নামে এক নার্স জানান, জেনেরেটর নষ্ট হয়ে গেছে তাই সমস্যা চলছে। অর্ভথ্যনা কক্ষে গিয়ে দেখা গেল একটি জেনেরটরের শব্দ তারা দিব্যি ফান ও লাইট চালিয়ে তাদের কাজকর্ম সারছেন প্রশ্ন করলে কোন উত্তর নেয়।

ভবনের ৫তলার রোগী হাবিব জানান, এখানে বিদ্যুৎ থাকে না প্রায় সব সময় আমরা টাকা দিচ্ছি কিন্তু সেবা পাচ্ছি না। আমি একজন হার্টের রোগী তাছাড়া আমার ওপেন র্হাট সাজার্রি করা রয়েছে ফান না থাকলে এই গরমে আমার খুবই সমস্যা হচ্ছে। সালামত আলী খানঁ নামে এক সাংবাদিককে বিদ্যুৎ না থাকায় কেবিন থেকে সিসিউতে স্থানান্তর করা হলো অতিরিক্ত গরম থাকার কারনে।

এ ব্যাপারে জানতে ফরিদপুর ডায়াবেটিকস সমিতির সাধারন সম্পাদক প্রফেসর সামাদ মোবাইলে জানান, আমাদের জেনেরেটর নষ্ট হওয়ার কারনে আমরা বিদ্যুৎ চলে গেলে বিদ্যুৎ দিতে পারছিনা এখন তো কিছুই করার নেয়। বিকল্প লাইন নিয়েছি সেটার পাওয়ার কম হওয়াতে সব জায়গায় সেবাটা পৌছাতে পারছিনা।






মন্তব্য চালু নেই