মেইন ম্যেনু

ফাঁকা মাঠে বক্তব্য দিলেন আ.লীগের নেতারা

ইউপি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে আওয়ামীলীগের নির্বাচনী সভা ছিলো জনশুন্য। তবুও লোক-লজ্জা ফেলে জনশুন্য ফাঁকা মাঠেই বক্তব্য দিলেন নেতারা। বগুড়ার নন্দীগ্রামে আগামী ৭ই মে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী আশরাফ আলীর পক্ষে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের উদ্যেগে উপজেলার ১নং বুড়ইল ইউনিয়নের ধুন্দার বাজার সংলগ্ন হাইস্কুল এন্ড কলেজ মাঠে গত শনিবার বিকালে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনী সভার আয়োজন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা জানান, শনিবার বিকাল ৫টার সভা মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসেবে জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক টি, জামান নিকেতার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও নির্বাচনী সভায় জনশুন্যের খবর পেয়ে তিনি সভাস্থলে আসেননি।

পরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুর রহমান জাহিদসহ সাবেক সাধারন সম্পাদক শফি উদ্দিন, আওয়ামীলীগ নেতা ফকির মজিবর, কৃষ্ণচন্দ্র, আব্দুল বারী নাচ্চু, আব্দুস সামাদ, মাহানন্দ, দয়াল চন্দ্র ও উপজেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক নির্বাচনী সভায় আসেন। সভায় এসে হাইস্কুল মাঠে মঞ্চের সামনে ফাঁকা চেয়ার দেখে উত্তেজিত হন আগত বক্তারা।

তারপরেও লোক-লজ্জা ফেলে জনশুন্য ফাঁকা মাঠেই বক্তব্য দিয়ে নির্বাচনী সভা ত্যাগ করেন বক্তারা। স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতারা বলেছেন, গতবারের ইউপি নির্বাচনে ১নং বুড়ইল ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুর রহমানের ছেলে মতিউর রহমান মতি দলীয় সমর্থনে আনারস প্রতীকে নির্বাচন করে লজ্জাজনক ভোট পেয়ে পরাজিত হন।

যে ব্যক্তির জনপ্রিয়তা নেই তাকে দিয়ে কখনো দল চলতে পারেনা। তার ডাকে জনগন তো দূরের কথা দলের কর্মীরাও ঐক্যবদ্ধ নয়। এছাড়া জনপ্রিয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন না দিয়ে নামমাত্র ব্যক্তিকে মনোনীত করায় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ। মুখে এক কথা আর কাজের বেলায় উল্টো। যেকারণে নির্বাচনী সভা ছিলো জনশুন্য এমন মন্তব্য করেছেন অনেক নেতাকর্মী।

অন্যদিকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহেদুর রহমানের কাছে মুঠোফোনে জনশুন্য সভা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। লজ্জাজনক জনশুন্য মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সভা করায় জনসাধারনের মাঝে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই