মেইন ম্যেনু

ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রচণ্ড

ফের নেপালের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন দেশটির সাবেক মওবাদী বিদ্রোহী নেতা পুষ্প কমল দহল প্রচণ্ড। এর আগে ২০০৮-২০০৯ সালেও হিমালয়কন্যা নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন প্রচণ্ড। সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি অলির পদত্যাগের এক সপ্তাহের মাথায় নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করলো নেপালি পার্লামেন্ট।

১৯৯০ সালে নেপালে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু হয়। এরপর ২৬ বছরের মধ্যে প্রচণ্ড দেশটির ২৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন। প্রচণ্ড ক্ষমতায় আসায় নেপালে আগের চেয়ে এবারের সরকার আরও স্থিতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরেই নেপালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে আছে। পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কয়েক মিনিট আগে প্রধানমন্ত্রী অলির পদত্যাগে দেশটির পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ফের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে পার্লামেন্টের ৫৯৫ ভোটের মধ্যে ভোট পড়ে ৫৭৩টি, যার ৩৬৩টি পড়ে প্রচণ্ডর পক্ষে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে প্রচণ্ড সংসদে বলেন, ‘আমি জাতীয় ঐক্যের জন্য কাজ করে যাবো। দেশের এবং জনগণের স্বার্থ উন্নয়নে কাজ করে যাবো।’

৬১ বছর বয়সী কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল’র (মাওয়িস্ট-সেন্টার) সভাপতি পুষ্প কমল দহলের প্রার্থীতা প্রস্তাব করেন নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর দেওবা এবং তা সমর্থন করেন প্রবীণ মাওবাদী নেতা কৃষ্ণ বাহাদুর মাহারা।

প্রচণ্ড নেপালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটাতে দশকব্যাপী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সালে নেপালে মাওবাদী পার্টির সশস্ত্র বিদ্রোহ চলার সময়ে নেপালি কংগ্রেসের নেতা শের বাহাদুর দেওবা প্রচণ্ডের মাথার ওপর ৫০ লাখ রুপি পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত অক্টোবরে সাবেক মাওবাদীদের সমর্থন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে সরকার গঠন করেছিলেন কেপি অলি। কিন্তু ক্ষমতার অংশীদারিত্ব চুক্তির প্রতি প্রধানমন্ত্রী সম্মান জানাতে ব্যর্থ হয়েছেন- এমন অভিযোগ তুলে তারা অলির পক্ষ থেকে সরে যায়। এরপর পার্লামেন্টে অলির বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের প্রস্তাব করে মাওবাদীরা। অলি এ ভোটের মুখোমুখি না হয়ে পদত্যাগ করেন।






মন্তব্য চালু নেই