মেইন ম্যেনু

ফের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মঙ্গলবার বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ পরীক্ষা চালিয়েছে ইরানের বিপ্লবী রক্ষীবাহিনী ইসলামিক রেভুলিউশনারি গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি)। বাহিনীটির দাপ্তরিক ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর কাছে আর্মি অব দ্য গার্ডিয়ানস অব দ্য ইসলামিক রেভোলিউশনের অপর নাম আইআরজিসি। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের প্রতিরক্ষা শক্তির প্রদর্শন। এছাড়া দেশটি ইসলামি বিপ্লব, রাষ্ট্র ও সার্বভৌমত্বের ওপর যেকোনো হুমকি মোকাবেলার সক্ষমতা দেখাতে চেয়েছে।’

গত অক্টোবরে মাঝারিপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এমাদের পরীক্ষা চালায় ইরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর মাস দুয়েক আগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর রেশ কাটতে না কাটতেই আবার নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালালো ইরান।

এদিকে জাতিসংঘ বলেছে, জুলাইয়ের পারমাণবিক চুক্তির পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সিকিউরিটি কাউন্সিল রেজোলিউশন-১৯২৯’র পরিপন্থী। অবশ্য বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর জানুয়ারিতে চুক্তিটি বাতিল হয়ে গেছে। তবে একই সময়ে নতুন একটি বিধান চালু করা হয়েছে, যেখানে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পরিবহণে সক্ষম যেকোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের এ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচির কোনো সম্পর্ক নেই। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইরান যেসব ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে, সেগুলো পারমাণবিক অস্ত্র পরিবহনে সক্ষম বলে অভিযোগ উঠেছে। অবশ্য ইরান বলছে, স্বাভাবিক প্রতিরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবেই এগুলো ব্যবহার করা হবে। দেশটির দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে নিখুঁত করে তুলতেই সাম্প্রতিক পরীক্ষাগুলো চালানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছর জানুয়ারি মাসে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। গত বছর জুলাইয়ে ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে দেশটির পরমাণু চুক্তি সম্পদিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরপরই নতুন এ নিষেধাজ্ঞা দেয় ওয়াশিংটন।






মন্তব্য চালু নেই