মেইন ম্যেনু

ফেসবুক ও ইন্টারনেটে যে ১০টি বেআইনি কাজ আপনি প্রতিদিন অজান্তে করে চলেছেন

ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। এই নেট-দুনিয়ারও কিন্তু নিজস্ব আইন রয়েছে, যা ভাঙলে সাইবার ক্রাইমের দায়ে শাস্তি ভোগ করার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু সেই সমস্ত নিয়ম-কানুন জানি না আমরা অনেকেই। এখানে রইল এমন ১০টি সাইবার আইন, যেগুলি নিজেদের অজান্তেই প্রায় প্রতি দিন লঙ্ঘন করে চলেছি আমরা।

১. সোশ্যাল মিডিয়ায় ফেক অ্যাকাউন্ট তৈরি: শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্যি যে, টুইটার বা ফেসবুকে নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে কোনও ছদ্ম-পরিচয় ব্যবহার করে প্রোফাইল তৈরি করা কিন্তু আইনত দণ্ডনীয়। ফেসবুক বা টুইটারের টার্মস অ্যান্ড কনডিশনস-এ (যা আমরা কোনও দিনই পড়ি না) বিষয়টি কিন্তু উল্লেখ করা রয়েছে।

২. ১৩ বছরের চেয়ে কম বয়সে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট: ফেসবুকের শর্তাবলীর মধ্যে এটাও উল্লেখ করা রয়েছে যে, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তৈরির ন্যূনতম বয়স হল ১৩। ১৩ বছরের চেয়ে কম বয়সে কেউ যদি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলে, তা হলে তা বেআইনি।

৩. প্রক্সি সার্ভারের মাধ্যমে কোনও পেমেন্ট এড়িয়ে যাওয়া: কোনও একটি নেট কনটেন্ট উপভোগ করার জন্য কিছু টাকা ‘পে’ করা বাধ্যতামূলক, কিন্তু আপনি প্রক্সি সার্ভার ব্যবহার করে সেই বিষয়টিকে এড়িয়ে গেলেন, তা হলে আপনি আইন ভাঙলেন।

৪. কপিরাইটেড কনটেন্ট ইউটিউবে আপলোড করা: কপিরাইট রয়েছে এমন কোনও ভিডিও আপনি কখনওই ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন না, যদি না আপনি আইন ভাঙতে চান।

৫. ভুয়ো ভিপিএন বা আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করা: নিজের প্রকৃত ভিপিএন বা আইপি অ্যাড্রেস গোপন করে ভুয়ো আইপিএন ও আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করা কিন্তু আইনত নিষিদ্ধ।

৬. অ্যাড ব্লকার: অ্যাড ব্লকার এমন একটি অ্যাড অন যা ওয়েবসাইটে কোনও বিজ্ঞাপন ভেসে উঠতে বাধা দেয়। বহু দেশেই এই অ্যাড ব্লকারের ব্যবহার কিন্তু নিষিদ্ধ। কারণ ওয়েবসাইট কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের বিনিময়ে বিজ্ঞাপন-প্রদর্শনকারী সংস্থার কাছ থেকে অর্থ পায়। কাজেই টাকা নেওয়ার পরেও সেই বিজ্ঞাপন যদি আপনি বিশেষ কৌশলে এড়িয়ে যান, তা হলে তা বেআইনি বলে বিবেচনা করা হয়।

৭. জিআইএফ বা মেমে বানানো: জিআইএফ বা মেমে জাতীয় কার্টুন বানাতে বা দেখতে যতই মজা লাগুক না কেন, কোনও কপিরাইটেড মেটেরিয়াল ব্যবহার করে জিআইএফ বা মেমে তৈরি কিন্তু আইনত নিষিদ্ধ।

৮. ট্রাভেল ভিসা নিয়ে বিদেশ থেকে নেট ব্যবহার: আপনি যদি ট্রাভেল ভিসা নিয়ে বিদেশে পাড়ি দেন, এবং বিদেশের মাটিতে বসে অনলাইন হন, তা হলে আপনি আইনভঙ্গ করছেন।

৯. আনসিকিওরড ওয়াইফাই ব্যবহার: এমন কোনও ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যদি আপনি আপনার ডিভাইস সংযুক্ত করেন, যার উৎস সম্পর্কে আপনি অবহিত নন, অর্থাৎ নেটওয়ার্কটি আনসিকিওরড, তা হলে আপনি আইন ভাঙছেন।

১০. সাবস্ক্রিপশন পাসওয়ার্ড শেয়ার করা: ইন্টারনেটে কোনও বিশেষ পরিষেবা পাওয়ার জন্য যে সাবস্ক্রিপশন পাসওয়ার্ডটি পাওয়া যায়, তা যদি আপনি অন্য কাউকে জানিয়ে দেন, তা হলে আপনি বেআইনি কাজ করছেন।






মন্তব্য চালু নেই