মেইন ম্যেনু

ফ্যাশনে নতুন করে আবার আসলো স্লিপ ড্রেস

এটা শুধুই সময়ের ব্যাপার যে, আমাদের মাঝে আবারও চলে আসছে বুট-ছেঁড়া জিন্স, গ্রানজ্, ছোট পোশাকসহ ১৯৯০ দশকের অনেক জনপ্রিয় ফ্যাশন। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হল স্লিপ ড্রেস যা ছিল তখনকার যুগের খুব জনপ্রিয় ফ্রক।

অন্যান্য ট্রেন্ডগুলোর মতো এটিও কয়েক মাস আগে চলে আসলো। সেলিন এর ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ফিবি ফিলো গত শরৎ থেকে স্লিপ ড্রেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ করে আসছেন। কিন্তু এই বসন্তে তিনি তাঁর সম্পূর্ণ শো তে রাখেন ছয়টি সিল্কের স্লিপ, যার পাশ দিয়ে আছে লম্বা ফিতা।

পরিবেশের সাথে এই পোশাক বেশ সহজ ও লোভনীয় বলে মনে হলেও বাস্তবতার সাথে এটার যেন একটা অসমতা রয়ে গেছে। সেজন্য এর পুনরুত্থানকে তিতা এবং মিষ্টি উভয়ের মতো লাগছে। গোইনেথ প্যালট্রোর ফ্যাশন পরিচালক লরি ট্রট বলেন, ‌’আমরা অনেক ভারি, ধারণাগত এবং কাঠামোগত পোশাক পরি, সেক্ষেত্রে স্লিপ ড্রেস হয়তো মুক্ত বাতাসের জন্য ভাল হতে পারে।’ এর আগে তাঁর বন্ধুদের সাথে এক ডিনার পার্টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সবাই বলে যে তারা স্লিপ ড্রেস ভালবাসে তবে কেউ নিশ্চিত না যে তারা এটা পরবে কিনা।’
১৯৯৬ সালে মিস প্যালট্রো অস্কারের লাল কার্পেটে গিয়েছিলেন কেল্ভিন ক্লাইনের গুটিকাযুক্ত সাদা নাম্বারের পোশাকে। কিন্তু বর্তমানে যদি ৯০ এর দশকের ফ্যাশন কেউ বহন করে থাকেন, তবে তিনি হচ্ছেন কেট মস যিনি তরুণ বয়স থেকেই স্লিপ ড্রেস পরে আসছেন।

প্রায় সব নারীদেরই লাল কার্পেটের পোশাকের চেয়ে দিনের সাধারণ পোশাকের বেশি প্রয়োজন হয়। সুপারমডেলদের এবং চলচ্চিত্রের আইকনদের সাথে সম্পর্ক ছাড়া স্লিপ ড্রেস আমাদের আমাদের কি দেয়?
প্রথমত, এগুলো অনেক সুন্দর। মাখনের ন্যয় সাটিন কাপড় এবং সুন্দর ফিতার অন্তরঙ্গ আবেদনের ক্ষমতাকে কখনও অস্বীকার করার মতো নয়। ৯০ এর দশকেও স্লিপ ড্রেসকে অনেক নারীরা পুরানো এবং পূর্বপুরুষদের পোশাকহিসেবে চিনত। কিন্তু এটা যতই পুরানো হোক না কেন এই হারিয়ে যাওয়া ফ্যাশনে রয়েছে ইচ্ছা পূরণের শক্তি এবং সকল প্রকার নারী আইডিয়া যা আধুনিকভাবে উপস্থাপন করে। আরও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আধুনিক কালের এই স্লিপ ড্রেস পরিধান করা পূর্বের স্লিপ ড্রেসের চেয়ে অনেক সহজ। এখন এর ফিতাগুলো আরও চওড়া, লম্বা এবং কম আঠালো। আগে একে কাপড়কে কর্ণ বরাবর কেটে তৈরি করা হতো যাতে প্রান্ত গুলো ভালোভাবে চোখে পড়ে। কিন্তু এখন ডিজাইনাররা নতুনভাবে একে তৈরি করছে এবং তা দেখতে আরও আকর্ষণীয়।

কেলভিন ক্লাইনের মহিলাদের পোশাকের ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর ফ্রানসিসকো কস্তা ১৯৩৩ সালের ফিল্ম ‘ডিনার অ্যাট এইট’ থেকে অনুপ্রেরিত হন এবং তাঁর ফ্যাশনে সেগুলো নিয়ে আসেন। ‘এই পোশাক শরীরকে জড়িয়ে ধরে থাকত।’ তিনি এটাকে ব্যাখ্যা করে আরও বলেন, ‘আমরা এটাকে সোজাসুজি কেটে আরও বাস্তব পোশাকে পরিণত করার চেষ্টা করেছি।’ এখানে কাপড়টাও ভিন্ন। সাটিন কাপড়ের পরিবর্তে তিনি ব্যবহার করেন ভিসকোজ ও সিল্কের মিশ্রণ যা শরীরকে জড়িয়ে না ধরে বরং ‘বাউন্স’ করবে।






মন্তব্য চালু নেই