মেইন ম্যেনু

বইছে উত্তুরে হাওয়া, বৃষ্টি হতে পারে দু’দিন পর

কার্তিকের মাঝামাঝি এখন। ইতোমধ্যে দেশের ভূখণ্ড ছুঁয়েছে শীতের উত্তুরে হাওয়া। ধীরে ধীরে তা সারা দেশে ছড়াবে। এ অবস্থায় দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে আগামী শুক্র বা শনিবার হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।

আবহাওয়াবিদ রিপন চন্দ্র সরকার বুধবার বলেন, ‘স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগসহ উপকূলীয় এলাকায় শুক্র বা শনিবার বৃষ্টি হতে পারে। ঢাকায়ও হালকা বৃষ্টি হতে পারে, সেভাবে বেশি হবে না।’

উত্তরের জেলাগুলোতে শীতের মৌসুমী বাতাস বইতে শুরু করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মূলত গত ১৮ অক্টোবর থেকে মৌসুমী বাতাস শুরু হয়। এটা আস্তে আস্তে সারা দেশে বিস্তৃত হবে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ তাপমাত্রা কমে যাবে। আর বৃষ্টি হলে এমনিই তিন-চার ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে যায়।’

বাংলা কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস জুড়ে থাকে চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। বুধবার কার্তিকের ১৩ তারিখ। হেমন্তকে বলা হয় শীতের পূ্র্বাভাস। এখনই গ্রামে আমনের ক্ষেতে, ঘাসে শিশিরের দেখা মিলছে। শহরে মধ্যরাতের পর পায়ের কাছের কাঁথা গায়ে উঠছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের সাপ্তাহিক (২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর) পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ সপ্তাহের শেষাংশে উপকূলীয় এলাকার অনেকস্থানে এবং দেশের অন্যত্র দু’এক স্থানে অস্থায়ী দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হাল্কা (৪ থেকে ১০ মিলিমিটার) থেকে মাঝারি ধরনের (১১ থেকে ২২ মিলিমিটার) বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল (মঙ্গলবার) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩৩ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শ্রীমঙ্গলে ১৮ ডিগ্রি ও ঢাকায় সর্বনিম্ন ২০ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।






মন্তব্য চালু নেই