মেইন ম্যেনু

বখাটেদের হাতে উত্ত্যক্ত হলে কী করবেন আপনি?

রাস্তাঘাটে চলতে-ফিরতে বখাটেদের হাতে উত্ত্যক্ত হলে কী করবেন আপনি? নিশ্চয়ই চুপ করে থাকবেন না। কেননা আইন আপনাকে সে উপায় বলে দিয়েছে। জেনে রাখুন উপায়গুলো।

যেভাবে নেবেন আইনি আশ্রয় : যদি উত্ত্যক্তের শিকার হন তাহলে প্রথম যেটি করতে হবে তা হলো কাছের থানায় গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জানানো। পুলিশের পরামর্শক্রমে লিখিত অভিযোগও করা যেতে পারে। আবার অনেক সময় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রাখতে পারেন। অবশ্য পুলিশ নিজে বাদী হয়েও মামলা করতে পারে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের আন্তরিকতাই আসল। পুলিশের সদিচ্ছা থাকলে এ বিষয়ে যেকোনো আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে পুলিশ। যদি উত্ত্যক্তকারী পরিচিত কেউ হয়, তাহলে তার নাম-ঠিকানা দিতে হবে। আর যদি অপরিচিত হয় তাহলে তার চেহারার বর্ণনা দেওয়া গেলে ভালো। একই সঙ্গে ঘটনা ও ঘটনাস্থল সম্পর্কে

সঠিক তথ্য দিতে হবে। পুলিশের সদিচ্ছা থাকলে উত্ত্যক্তকারীদের খুঁজে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে। দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারায় এ বিষয়ে স্পষ্ট বিধান আছে। এ ধারায় বলা আছে, কেউ কোনো নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোনো কাজ করে তাহলে দায়ী ব্যক্তিকে এক বছর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সাজা বা অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে হবে।

আবার ডিএমপি অ্যাক্টেও বখাটেদের শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আছে কঠিন শাস্তি। তবে কোনো মেলা বা আয়োজনে গেলে কাছের থানা এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) ফোন নম্বর সঙ্গে রাখা উচিত। এ নম্বর পুলিশের ওয়েবসাইট থেকে নেওয়া যেতে পারে। আপনি যদি সরাসরি কোনো হুমকির শিকার হন তাহলে থানায় না গিয়ে সরাসরি আদালতের আশ্রয়ও নিতে পারেন।

যদি ইন্টারনেটে উত্ত্যক্ত হন : ইন্টারনেটে বিশেষ করে ফেসবুক বা কোনো সামাজিক মাধ্যমে যদি আপনি হয়রানির শিকার হন, তাহলে দেশে এর জন্য খুব কঠিন আইন রয়েছে। কেউ আপনার মানহানিকর ছবি কিংবা আপনাকে নিয়ে বাজে কোনো মন্তব্য ছড়িয়ে দিলে বা আপনাকে পাঠালে আপনি প্রথমেই স্ক্রিনশট (কম্পিউটার বা মুঠোফোনের পর্দায় ওই বিষয়টির ছবি) নিয়ে রাখুন।

কবে কোন পেজে কিংবা ওয়েবসাইটে কোনো পোস্ট দিল তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে কাছের থানায় অভিযোগ করুন। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইন ২০০৬-এর আওতায় এ ধরনের সাইবার অপরাধের জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছে। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে বিনা ওয়ারেন্টেই দায়ী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে। তবে এ আইনের যেন অপপ্রয়োগ না হয় এ বিষয়েও সচেষ্ট থাকতে হবে। -প্রথম আলো






মন্তব্য চালু নেই