মেইন ম্যেনু

বগুড়ার শেরপুরে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার-প্রোভাইডারদের কর্মবিরতি

রাজস্বখাতে স্থানান্তর না করে ট্রাষ্ট বোর্ডের মাধ্যমে সিএইচসিপিদের পরিচালনা করার ঘোষনার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ট্রাষ্ট আইন বাতিল ও চাকরী জাতীয়করণের দাবির অংশ হিসেবে বগুড়ার শেরপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত কর্ম বিরতি পালন করে কমিউনিটি হেল্থ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি)’রা।

জানা যায়, ১৯৯৮ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করে। ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেগুলো হয়ে পড়ে গরু-ছাগল পালন কেন্দ্র ও নেশাখোরদের নিরাপদ আড্ডাস্থল।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ফের ক্ষমতায় আসার পর কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো পুনরায় চালু করা হয়। এগুলো চালু রাখতে ৪ বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প গ্রহন করে তার মাধ্যমে সারা দেশে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) পদে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু গত ২২ আগষ্ট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি ক্লিনিকের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ প্রকল্পকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর না করে ট্রাষ্ট বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এতে কর্মরত সিএইচসিপিরা হতাশ হয়েছে এবং চাকরীর নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছে। বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে ট্রাষ্ট আইন বাতিল ও চাকরী জাতীয়করণের দাবিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানব বন্ধন শেষে বিভিন্ন কর্মসুচি ঘোষনা করেন।

ঘোষিত কর্মসুচির অংশ হিসেবে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত ১ ঘন্টা কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ রাখেন।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সিএইচসিপি এসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় কমিটির মহা সচিব আফাজ উদ্দিন লিটন বলেন, ট্রাষ্ট আইন বাতিল ও চাকরী জাতীয়করণের দাবিতে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানব বন্ধন শেষে ২১ সেপ্টেম্বর স্ব স্ব জেলার জেলা প্রসাশক ও সিভিল সার্জন বরাবর স্মারকলিপি প্রদান, ২২ সেপ্টেম্বর কমিউনিটি ক্লিনিকে ১ ঘন্টা কর্ম বিরতী, ২৮ সেপ্টেম্বর স্ব স্ব জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে অবস্থান ও ২ অক্টোবর প্রত্যেক জেলার মূল পয়েন্টে মানব বন্ধন কর্মসুচি ঘোষনা করেছি। এতেও যদি কাজ না হয় তাহলে সামনে আরো কঠোর কর্মসুচি ঘোষনা করতে বাধ্য হবো।






মন্তব্য চালু নেই