মেইন ম্যেনু

বঙ্গোপসাগর থেকে ভারতের শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপেক্ষণ

বঙ্গোপসাগরের গভীর থেকে শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র উৎপেক্ষণ করেছে ভারত। আর এই ঘটনার মধ্য দিয়ে পারমানবিক শক্তিধর দেশ হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করলো দেশটি। এই ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

ভারতের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সমুদ্রগর্ভ থেকে ভারত যে নিউক্লিয়ার মিসাইল ছুড়েছে এটির নাম কে-৪।

ভারতের পরমাণু শক্তিধর হয়ে ওঠাকে ভাল চোখে দেখছে না যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনায় পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনা বাড়বে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে।

ভারত কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপন করেছে বলে চলতি সপ্তাহেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

বঙ্গোপসাগরের গভীর থেকে এই পরমাণু অস্ত্রবাহী ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়া হয়। সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার পাল্লার এই কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে ফেলায় ভারত রাষ্ট্রপুঞ্চ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশের তালিকার বাইরে একমাত্র দেশ হয়ে উঠেছে। যে দেশ ভূমি, আকাশ এবং জলভাগ— এই তিন জায়গা থেকেই পরমাণু আক্রমণ চালাতে পারে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলেন, সমুদ্রের গভীর থেকে পরমাণু হামলা চালানোর ক্ষমতা থাকলে তবেই একটি দেশকে প্রকৃত পরমাণু শক্তিধর বলা যায়। কারণ কোনও দেশের মূল ভূখণ্ড প্রতিপক্ষের পরমাণু হামলার শিকার হয়ে গেলে, পাল্টা হামলা জলভাগ থেকেই চালাতে হয়। মূল ভূখণ্ডের সব পরমাণু পরিকাঠামো নষ্ট করে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিপক্ষ পরমাণু হামলা চালানোর ছক কষে। কিন্তু সমুদ্রে লুকিয়ে থাকা পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রকে ধ্বংস করা সম্ভব হয় না।

কে-৪ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণের পর ভারত প্রকৃতপক্ষেই পরমাণু শক্তিধর হয়ে উঠল। আমেরিকা, রাশিয়া, চীন, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের সঙ্গে এক সাঁরিতে চলে এল।






মন্তব্য চালু নেই