মেইন ম্যেনু

বছরে এক গাভীতেই মিলবে ২৫ বাছুর!

এখন থেকে দেশেই বছরে একটি গাভী থেকে বাছুর পাওয়া যাবে ২০ থেকে ২৫টি। অবাক হলেও এটিই সত্য। দীর্ঘ চার বছরের অক্লান্ত গবেষণার ফসল হিসেবে এমনই সুখবর দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) বিজ্ঞানীরা।

দিন যাচ্ছে আর পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরুর মাংস ও দুধের দাম। কারণ চাহিদার তুলনায় উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে। আর সেই ঘাটতি পূরণেই দেশে প্রথমবারের মতো নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের মাধ্যমে একটি গাভি থেকে একসঙ্গে দুটি বাচ্চা উৎপাদনে সফলতা দেখিয়েছেন বিএলআরআইয়ের বিজ্ঞানীরা। ‘ইনভারট্রো অ্যামব্রায়ো প্রোডাকশন’ বা আইভিপি প্রযুক্তির মাধ্যমে বায়োটেকনোলজি বিভাগের গবেষক ড. গৌতম কুমার দেবের নেতৃত্বে একদল গবেষক চার বছরের টানা গবেষণায় নিজেদের সাফল্যের কথা জানান।

photo-1457360419

বিএলআরআইয়ের প্রাণিবিজ্ঞানী ড. গৌতম কুমার দেব বলেন, ‘এই প্রযুক্তির মাধ্যমে গবেষণাগারে ভ্রূণ উৎপাদন করে আমরা সারোগেট মাদারের গর্ভে প্রতিস্থাপন করে দুটি সুস্থ বাছুর উৎপাদনে সফল হয়েছি।’

মানুষের জন্য টেস্ট টিউব পদ্ধতির আদলেই আইভিপি পদ্ধতির এই গবেষণা দেশে প্রাণিসম্পদের চিত্রটাই পাল্টে দেবে। এমনটাই বলছেন, বিএলআরআইয়ের প্রথম নারী মহাপরিচালকের দায়িত্বে থাকা গবেষণা কার্যক্রমের নির্দেশক ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান ড. তালুকদার নূরুন্নাহার। তিনি বলেন, ‘একই মানগুণ সম্পন্ন বছরে ন্যূনতম ২০ থেকে ২৫টি বাচ্চা পাওয়া সম্ভব।’

বিজ্ঞানীদের এখন লক্ষ্য এই জীব প্রযুক্তির উদ্ভাবন প্রান্তিক খামারি পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া।






মন্তব্য চালু নেই