মেইন ম্যেনু

বছরে এক টন স্বর্ণ জমা পড়ে যে মন্দিরে

পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেবতা তিনি- এমনটিই বলা হয়। প্রতিদিন তার দরবারে কোটি কোটি রুপি দান করা হয়। সারা পৃথিবীর ছড়িয়ে আছে তার ভক্ত।

আবারো তা প্রমাণ করলেন এক দম্পতি। শনিবার ওই তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানমে গিয়ে ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরকে এক কোটি রুপি মূল্যমানের হীরে বসানো একটি মুকুট উৎ‌সর্গ করলেন তারা।

কোয়ামবতুর থেকে আসা বালামুরুগান ও তার স্ত্রী পূর্ণীমা এদিন হীরে বসানো এই মুকুটটি দান করেন তিরুপতি-তিরুমালা ট্রাস্টি বোর্ডকে।

এর আগে কর্নাটকের সাবেক মন্ত্রী এবং খনির মালিক শিল্পপতি জি জনার্দন রেড্ডিও হীরে বসানো একটি সোনার মুকুট উৎ‌সর্গ করেন ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরকে। সেই মুকুটটির অর্থমূল্য ছিল ৪৫ কোটি রুপি।

এখানে বিশ্বাস করা হয় তিরুপতি মন্দিরে গত ৫ হাজার বছর ধরে ভগবান ভেঙ্কটেশ্বর বাস করেন। প্রতি বছর আনুমানিক এক টন সোনা জমা পড়ে এখানে।

সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বর্ণ জমা প্রকল্প বা গোল্ড মানিটাইজেশন স্কিমে স্বর্ণ জমা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুম্বাইয়ের শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির কর্তৃপক্ষ। মোদির প্রকল্পে স্বর্ণ জমা রাখার ক্ষেত্রে সুদ ধরা হয়েছে ২ দশমকি ৫ শতাংশ।

স্বর্ণ প্রকল্পের আওতায় তিরুপতি মন্দির নামে পরিচিত এই মন্দিরে থাকা সাড়ে পাঁচ টনের বেশি পরিমাণ স্বর্ণ জমা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়। এর মাধ্যমে এই প্রকল্পের সবচেয়ে বড় অঙ্কের স্বর্ণ জমার রেকর্ড করতে যাচ্ছে তিরুপাতি মন্দির। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি সম্পদশালী মন্দির হিসেবে পরিচিত ভারতের মুম্বাইয়ের শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দির। স্থানীয়দের কাছে এটি তিরুপতি মন্দির হিসেবে পরিচিত। ধারণা করা হয়, ভগবান গণেশের পূজার উদ্দেশ্য প্রায় ৫০০০ বছর আগে স্বর্ণ দিয়ে মোড়ানো এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল।

গণেশের আশীর্বাদ পেতে এই মন্দিরে উপঢৌকন হিসেবে স্বর্ণ দান করেন পুণ্যার্থীরা। ফলে বছরের পর বছর ধরে মন্দিরে স্বর্ণ জমে থাকে।






মন্তব্য চালু নেই