মেইন ম্যেনু

বজরঙ্গী ভাইজানের সঙ্গে দেখা করতে চান ‘বাস্তবের মুন্নি’

বজরঙ্গী ভাইজান সিনেমার ভাইজান সালমান খানের সঙ্গে দেখা করতে চান পাকিস্তান থেকে ১২ বছর পর দেশে ফেরা গীতা। সিনেমার ছোট মেয়ে মুন্নি যেন হয়ে উঠেছে বাস্তবের গীতা। প্রায় এক যুগ আগে বোবা ও বধির গীতা বাবা-মায়ের কাছ থেকে হারিয়ে অজান্তেই ঢুকে পড়ে পাকিস্তানে।

বজরঙ্গী ভাইজান সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার পর দুই দেশে আলোচনায় আসে গীতার জীবনের করুণ কাহিনী। ভারতে হারিয়ে যাওয়া শিশু মুন্নির গল্পের সঙ্গে মিলে যায় পাকিস্তানে হারিয়ে যাওয়া বাস্তবের গীতার গল্প। তাকে দেশে ফেরাতে উদ্যোগ নেয় ভারত। সেই কৃতজ্ঞতা থেকে গীতা দেখা করতে চান বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের সঙ্গে।

সোমবার নয়াদিল্লি পৌঁছান ২৩ বছর বয়সি গীতা। পাকিস্তানের কল্যাণমূলক সংস্থা ইধি ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন তিনি। সমঝোতা এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি থেকে ১১ বছরের কিশোরী গীতাকে উদ্ধার করে পাকিস্তনের সীমান্তরক্ষী বাহিনী পাকিস্তান রেঞ্জার্স। তারপর তার আশ্রয় হয় ইধি ফাউন্ডেশনে।

ভারত-পাকিস্তান হাই কমিশনের সমঝোতায় এবং ইধি ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় মঙ্গলবার নয়াদিল্লি পৌঁছান গীতা। এরপর তিনি দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজের সঙ্গে। তারপর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়। গীতার ইচ্ছা, অভিনেতা সালমান খানের সঙ্গে দেখা করার।

বজরঙ্গী ভাইজান সিনেমায় ভারতে হারিয়ে যাওয়া এক পাকিস্তানি শিশুর গল্প বলা হয়েছে। আর গীতার গল্প ঠিক উল্টো। সে ভারতীয় মেয়ে, পাকিস্তানে হারিয়ে যায়।

এদিকে গীতা নয়াদিল্লি পৌঁছানোর পর সে যে পরিবারের ছবি দেখেছিল পাকিস্তানে বসে, সেই পরিবারের সদস্যরা তার রক্তের কেই নয় বলে জানিয়ে দেয় গীতা। তাহলে তার পরিচয় কী? হুট করে উত্তর প্রদেশের এক দম্পতি দাবি করে বসলেন, গীতা তাদেরই মেয়ে। উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ না দিতে পারায় পুলিশ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। গীতা সরকারের তত্ত্বাবধায়নে আছেন। সোমবার গীতা যখন সুষমা স্বরাজের সঙ্গে দেখা করতে যান, তখন সুষমা বলেন, গীতা ভারতের মেয়ে। পরিবার না পাওয়া গেলে, তার দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র : জিনিউজ অনলাইন।






মন্তব্য চালু নেই