মেইন ম্যেনু

বদ হজম, গলা ব্যথা, কাশি ও ঠান্ডা দূর করতে কাঁচা হলুদের ব্যবহার

আমাদের দেশীয় রান্নার অপরিহার্য একটি উপাদান হচ্ছে হলুদ। যা খাদ্যের রঙ ও গন্ধকে উন্নত করে। হলুদের স্বাস্থ্য উপকারিতাও প্রচুর। হলুদের গুঁড়ার পাশাপাশি যদি কাঁচা হলুদ আপনার ডায়েটে যুক্ত করতে পারেন তাহলে সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা থেকে দূরে থাকা যায়। বদ হজম, গলা ব্যথা, কাশি ও ঠান্ডা দূর করতে কাঁচা হলুদের ব্যবহারের উপায় জেনে নিই চলুন।

১। কাশি ও ঠান্ডার জন্য

ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস হলুদ মেশানো দুধ পান করলে তা শুধু ঘুমের জন্যই উপকারী নয় বরং ঠান্ডা ও কাশি দূর করতেও সাহায্য করে চমৎকার ভাবে। এক টুকরো কাঁচা হলুদ পিষে নিয়ে ফোটানো দুধের সাথে মিশান। এর সাথে এক চামচ গুঁড় বা চিনি মিশান। দুধ কুসুম গরম থাকতে থাকতেই পান করুন। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে তা হল এই দুধ পান করার পর পানি পান করা যাবেনা। কারণ হলুদে যে তাপ উৎপন্নকারী পদার্থ থাকে তার কাজে বাঁধার সৃষ্টি করে পানি।

২। বদহজমের জন্য

কাঁচা হলুদ যখন রসুন ও ঘি এর সাথে মিশ্রিত করে গ্রহণ করা হয় তখন তা বদহজম দূর করতে সাহায্য করে। যদি আপনার পেটে ব্যথা হয় অথবা বদহজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে কাঁচা হলুদ সিদ্ধ করে এর সাথে সমপরিমাণ রসুন এবং এক চামচ ঘি মিশিয়ে গ্রহণ করুন। হলুদের কারকিউমিন এবং তেল বদহজম ও বুক জ্বালাপোড়ার উপসর্গ কমাতে সাহায্য করবে।

৩। গলা ব্যথার জন্য

কাঁচা হলুদের ভেষজ কার্যকারিতা এর অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি যৌগের কারণে হয় যা গলা ব্যথা নিরাময়ের একটি ঘরোয়া প্রতিকার। এক চা চামচ কাঁচা হলুদের পেস্ট এর আধা চা চামচ রসুনের পেস্ট ও এক চা চামচ গুঁড় মিশান। এই মিশ্রণটি খাওয়ার পূর্বে সামান্য গরম করে নিন। প্রাকৃতিক ভাবে গলা ব্যথা সারানোর জন্য দিনে দুইবার এই মিশ্রণটি পান করুন।

কাঁচা হলুদ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। হালকা ভাবে প্যাকেট করে রাখুন তাহলে চিতি পড়বে না। টারমারিক উজ্জ্বল কমলা-হলুদ বর্ণের হয় বলে আঙ্গুলে দাগ লাগতে পারে বিশেষ করে কাঁচা হলুদের। যদি আপনার আঙ্গুলগুলো হলুদ দেখতে না চান তাহলে কাঁচা হলুদ থেঁতলানোর সময় হাতে গ্লাভস পরে নিন।






মন্তব্য চালু নেই