মেইন ম্যেনু

বন্দরে ৪ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত জারি

পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি আরো উত্তর দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’তে রূপ নিয়েছে। এটি আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৪ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শেখ হাসানুর রশিদ বাংলামেইলকে বলেন, ‘বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি গভীর নিন্মচাপ অবস্থান করছে। নিম্নচাপটি আরো শক্তিশালী হয়ে ঘূর্ণীঝড় ‘রোয়ানু’তে রূপ নিয়েছে। এটি দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১১৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।’

তিনি আরো জানান, ঘূর্ণীঝড়টি আরো ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণীঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ৬২ কিলোমিটার যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।

এ মাসের গোড়ার দিকে আবহাওয়া বিভাগের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টি হওয়ার সম্ভবনার কথা জানিয়েছিল।

এদিকে ঘূর্ণীঝড় ‘রোয়ানু’র প্রভাবে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বৃহস্পতিবার ভোর থেকে বৃষ্টি ভারী থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত চট্টগ্রামের পতোঙ্গা আবহাওয়া অফিসে ২০ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত ধারণ করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই