মেইন ম্যেনু

বর্ণাঢ্য আয়োজনে পর্দা নামলো রিও অলিম্পিকের

মাইকেল ফেলপসের শ্রেষ্ঠত্ব, উসাইন বোল্টের অমরত্ব ও ফুটবলে ব্রাজিলের অধরা অলিম্পিক সোনা জয় ইত্যাদির মধ্য দিয়ে রিও অলিম্পিকের সোনার লড়াইয়ের সমাপ্তি ঘটলো। বাংলাদেশ সময় ভোরে অলিম্পিকের শেষ ইভেন্ট পুরুষ বাস্কেটবলের ফাইনাল দিয়েই মাঠের খেলার যবনিকা ঘটে।

রিও অলিম্পিকের পদকের লড়াই শেষে শুরু হয় সমাপনী অনুষ্ঠান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মতো সমাপনীতেও চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্স দিয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেয় ব্রাজিল। ব্রাজিলের ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রোববার ভোর পাঁচটায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সমাপনী অনুষ্ঠানে আলো ও রঙের ঝলকানিতে গোটা স্টেডিয়ামে মুগ্ধতা ছড়ানো হয়। নাচ-গানে বিমোহিত করা হয় দর্শকদের।

সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুতেই ২৭ জন শিশু ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীতে কণ্ঠ মেলায়। এরপর ব্রাজিলের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী কারমেন মিরান্ডা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। তারপর ২০৭টি দেশের প্রতিনিধিরা মঞ্চে এসে উপস্থিত হন।

অধিকাংশ দেশের সোনাজয়ীরাই নিজ দেশের পতাকা বহন করেন। তবে ব্রাজিলের পতাকা বহন করে দুটি রৌপ্য জেতান কুইরোজ।

রিও অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে দর্শকদের দুয়োধ্বনির মুখে পড়েন ব্রাজিলের অন্তবর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট মিকেল তেমের। যে কারণে সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি আসেননি। ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা রিওর মেয়র এডুয়ার্ডো পায়েসও দর্শকদের দুয়োধ্বনির মুখে পড়েন।

জাপানের প্রতিনিধিত্ব করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। টোকিও প্রতিনিধি হিসেবে গভর্নর ইউরিকো কোইকে উপস্থিত হন।

রঙিন-বর্ণিল অনুষ্ঠানের পর বিদায়-রাগিনী বেজে ওঠে রিওতে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির পক্ষ থেকে টোকিওর গভর্নর ইউরিকো কোইকের হাতে অলিম্পিক পতাকা তুলে দেয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি ঘটে রিও অলিম্পিকের।

সমাপনী অনুষ্ঠানে আয়োজক দেশ ব্রাজিলের জন্য প্রশংসা ঝরে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট থমাস বাখের কণ্ঠে।

বাখ বলেন, ‘অসাধারণ শহরে দুর্দান্ত এক অলিম্পিকের আয়োজন দেখলাম আমরা। গত ১৬ দিন ধরে একতাবদ্ধ ব্রাজিল গোটা বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমাদের এই কঠিন সময়ে এটি সবাইকে আনন্দ দেবে বলেই আশা করি। আপনারা বিশ্বকে শান্তির শক্তিশালী বার্তা উপহার দিয়েছেন।’






মন্তব্য চালু নেই