মেইন ম্যেনু

বর্ষায় ৫ মৌসুমি রোগ থেকে সতর্ক থাকার উপায়

বর্ষাকালে আমাদের দেশে বাতাসে থাকা আর্দ্রতা ও গরমের কারণে জীবাণু সংক্রমণের অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। তবে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে এ জীবাণুগুলো থেকে রক্ষা পাওয়া সহজ হয়। এ লেখায় থাকছে তেমন কয়েকটি উপায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
১. চোখ সংক্রমণ
বর্ষায় বৃষ্টির পানিতে কিংবা আর্দ্র আবহাওয়ায় অনেকেরই চোখে সংক্রমণ হয়। এতে চোখ লাল হয়ে যায়, পানি পড়ে ও চুলকানি কিংবা ব্যথা হতে পারে। মূলত ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এমনটা হয়। এ ছাড়া অস্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তিও ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। এ সমস্যা দেখা দিলে পরিষ্কার টিস্যু পেপার দিয়ে চোখ মুছতে হবে। নিয়মিত হাত ধুতে হবে। এটি সাধারণত দুই থেকে তিন দিন পর এমনিতেই সেরে যায়। এ সমস্যায় দিনে তিন থেকে চারবার হালকা গরম কাপড় দিয়ে ৫ থেকে ১০ মিনিট চোখে শেক দিলে উপকার পাওয়া যাবে।
২. ডায়রিয়া
খাওয়ার আগে হাত ঠিকমতো ধুয়ে না নিলে, থালাবাসন অপরিষ্কার থাকলে, নোংরা পরিবেশে খাবার সংরক্ষণ করলে কিংবা পচা-বাসি খাবার খেলে ডায়রিয়া হতে পারে। মূলত বিভিন্ন উপায়ে জীবাণু পেটে প্রবেশ করলে ডায়রিয়া হতে পারে। ডায়রিয়া হলে খাবার স্যালাইন ও প্রচুর জলীয় উপাদান পান করতে হবে।
৩. ম্যালেরিয়া
শিশুরা ম্যালেরিয়ায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। মশার কামড়ে সাধারণত ম্যালেরিয়া ছড়ায়। মশা প্রতিরোধে বাড়িতে ও বাড়ির আশপাশে যেন মশা জন্মবিস্তার করতে না পারে সে জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ছাড়া মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং অন্য সব উপায়ে মশা থেকে নিরাপদ থাকতে হবে।
৪. শ্বাস-প্রশ্বাসনালির সংক্রমণ
শ্বাস-প্রশ্বাসনালির সংক্রমণ থেকে সাধারণ ঠাণ্ডা লাগে। এতে সর্দি-কাশি কিংবা এ ধরনের কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়। চিকিৎসকরা জানান, সাধারণ এ সমস্যাগুলো অনেক সময় বড় সমস্যা ডেকে আনে। প্রচুর পানি পান করা, তাজা ফলমূল ও জুস খাওয়া এ সমস্যা মোকাবিলা করতে সহায়ক। অনেকেই হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে উপকার পান। এ সময় অ্যালকোহল ও চা-কফির ক্যাফেইন বর্জন করতে হবে। গলায় ব্যথা হলে হালকা গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে উপকৃত হবেন।
৫. ত্বক সংক্রমণ
বর্ষায় ত্বকে নানা ধরনের সংক্রমণ হতে পারে। এসবের মধ্যে দাঁদ, খোসপাঁচড়া ইত্যাদি অন্যতম। সংক্রমিত ব্যক্তি কিংবা পোষা প্রাণীর সংস্পর্শ থেকেও এতে আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। আক্রান্ত হলে ত্বক ঠাণ্ডা ও শুষ্ক রাখতে হবে। এ ছাড়া নিয়মিত হাত ধোয়াও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ব্যক্তিগত ব্যবহার্য জিনিসপত্র, যেমন : ব্রাশ, গামছা, রেজর ও পোশাক অন্যদের থেকে দূরে রাখুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।






মন্তব্য চালু নেই