মেইন ম্যেনু

বলিউডের যে ৬টি ছবি ‘একা নির্জনে’ দেখতে হয়

আশি কিংবা নব্বই এর দশকের বি-গ্রেড সি-গ্রেড ছবির থেকে এখনকার ছবির চরিত্রগত পার্থক্য অনেক। লো বাজেট, সুরের জাদু সঙ্গে রগরগে দৃশ্য। এগুলোই এই ধরনের ছবির ইউএসপি।

এ গ্রেড, বি গ্রেড, সি গ্রেড। বলিউডে ছবির নানা রকম গ্রেডেশন হয়। তবে সাধারণত বেশিরভাগ বি-গ্রেড বা সি-গ্রেড ছবিকে এক্স রেটেড পর্নোগ্রাফি বলা যেতে পারে। আপনি যদি চান পরিবারের সকলের সঙ্গে এই ছবি দেখবেন, তা হলে কিন্তু পস্তাবেন। আশি কিংবা নব্বই এর দশকের বি-গ্রেড সি-গ্রেড ছবির থেকে এখনকার ছবির চরিত্রগত পার্থক্য অনেক। আগে ছিল ‘খুনি হাভেলি’, ‘পিয়াসী পত্নী’, ‘পেয়ার কি তমন্না’-গোত্রের ছবি। আজ সেই সব ছবি চরিত্র বদলেছে।

১। মার্ডার: এই ধরনের ছবির চরিত্রের বদল যার হাত ধরে ঘটেছে তাঁর নাম মহেশ ভট্ট। ২০০৪ সালে মল্লিকা শেরাওয়াত এবং ইমরান হাসমি অভিনীত মার্ডার সকলের নজর কেড়ে নেয়। স্মার্ট অভিনয়, চিত্রনাট্য, ঝকঝকে ক্যামেরা, সুরের জাদুতে মাত তামাম দর্শক। কিন্তু গল্পের মোড় ঘুরছে মল্লিকার শরীর ঘিরে। আর এখানেই লুকিয়ে আছে ছবির ইউএসপি। আজও সবার মুখে মুখে ফেরে এই ছবির গান ‘ভিগে হোঁট তেরে’। কিন্তু মার্ডার যদি সকলে মিলে দেখতে চান তাহলে আপনার আশায় জল। মার্ডার এতটাই জনপ্রিয় হয় যে এই সিনেমার ফ্রাঞ্চাইজি হয়।

২। রাগিনী এমএমএস: আমেরিকার ‘প্যারার্ম্যাল অ্যাক্টিভিটিস’ সিরিজের অনুপ্রেরণায় একতা কাপুর ২০১১ সালে তৈরি করেন রাগিনী এমএমএস। এক কমবয়সি কাপ্‌ল এক গভীর জঙ্গলের মাঝে একটি পুরোনো হাভেলিতে সময় কাটাতে যায়। আর নিজেদের ঘনিষ্ঠ মুহুর্ত তুলে রাখে তাদের ভিডিও ক্যামেরায়। কিন্তু তার পরে কী হয়েছিল তা সকলেরই জানা। রাগিনী এমএমএস-এর সাফল্যে একতা কাপুর পরবর্তী কালে এর সিকোয়েল তৈরি করেন।

৩। দ্য ডার্টি পিকচার: সিল্ক স্মিতার জীবনের ছায়ায় তৈরি এই ছবি মুক্তি পায় ২০১১ সালে। দক্ষিণের বি-গ্রেড ছবির অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতা প্রায় ৩৫০ ছবিতে অভিনয় করেন। সিল্ক স্মিতার চরিত্রে অভিনয় করেন বিদ্যা বালন। এই ছবিরও প্রযোজনা করেন একতা কাপুর। সিল্ক স্মিতার জীবনের মতই এই ছবিও ছিল রঙিন। আর দর্শকও এক নতুন রূপে খুঁজে পায় বিদ্যা বালন-কে।

৪। জিসম ২: জিসম-এর প্রবল জনপ্রিয়তার পর প্রযোজক মহেশ ভট্ট পরিকল্পনা করেন জিসম ২ তৈরি করার। তবে চমক ছিল চরিত্র নির্বাচনে। সানি লিওনকে তিনি নিয়ে আসেন বলিউডের আঙিনায়। তৈরি করেন এক রগরগে ছবি। খুল্লমখুল্লা এই ছবি তামাম ভারতবাসীর নজর কাড়ে।

৫। হেট স্টোরি: বাঙালি দর্শকদের কাছে এই ছবি একটা আলাদা আকর্ষণ এনেছিল। পাওলি দাম ছিলেন মুখ্য চরিত্রে। কিন্তু ছবির ট্রেলারেই ঝটকা। এতো রগরগে এক ছবি। লুকিয়েচুরিয়ে দেখতে হচ্ছে ছবির ক্লিপিংস। বিক্রম ভট্ট প্রযোজিত এই ছবি বিষয়বস্তু এসকর্ট সার্ভিস। ছবি দর্শক মনে দাগ কাটতে পারেনি। তবে বিক্রম ভট্ট থেমে থাকেননি। তিনি আবার বানালেন হেট স্টোরি। ২০১৪ এবং ২০১৫-তে।

৬। বিএ পাস: পশ্চিমি নীল ছবি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে অজয় বহেল ২০১৩ সালে তৈরি করেন বিএ পাস। ‘চাক দে’ খ্যাত শিল্পা শুক্লা অভিনীত এই ছবি অবশ্য দর্শক রিজেক্ট করে।






মন্তব্য চালু নেই