মেইন ম্যেনু

পরিবেশ অধিদপ্তরের নোটিশ

বাঁকখালী নদীতে ভূমিদস্যূদের তান্ডব লীলা

মোঃ আমান উল্লাহ, কক্সবাজার ॥ কক্সবাজারের প্রান স্রোতস্বীনি বাঁকখালী নদী। আজ মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নাকের ঢগায় পাহাড়ের মাটি কেটে ও ময়লা আবর্জনা ফেলে বাঁকখালী নদী ভরাট করার ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য। দিন রাত দখলবাজ সিন্ডিকেট বাঁকখালী নদী ভরাট করে জায়গা দখলে নিয়ে ভাগ বাটোয়ারায় মত্ত। তারা ভরাটকৃত জায়গায় বাড়ী ঘর সহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করে চলে প্রতিনিয়ত। পৌরসভার বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় প্রতিদিন শত শত টন বর্জ্য ফেলা হচ্ছে বাঁকখালী নদীতে। এতে করে বাঁকখালী নদীর পানি দুষন সহ এর আশ পাশের এলাকার পরিবেশ দুষিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে দিন দিন বাঁকখালী নদী সংকুচিত হয়ে পড়ছে। ভূমিদস্যূরা প্রকাশ্যে পাহাড়ের মাটি কেটে এবং ময়লা আর্জনা ফেলে বাঁকখালী নদী ভরাট কাজ চালিয়ে গেলেও এসব ভূমিদস্যূদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছেনা বলে অভিযোগ প্রকাশ।

সরজমিনে পরিদর্শনে দেখা গেছে, শহর সংলগ্ন কস্তুরাঘাট, এন্ডারসন রোড, পেশকার পাড়া, হাঙ্গর পাড়া ও মাঝির ঘাটের পাশ ঘেষে বয়ে যাওয়া বাঁকখালী নদীর তিন ভাগ দখল হয়ে গেছে। এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যূরা পাহাড়ের মাটি কেটে এবং ময়লা আবর্জনা ফেলে বাঁকখালী নদী ভরাট করে নিচ্ছে বলে প্রত্যেক্ষদর্শীদের অভিযোগে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, বাঁকখালী নদীতে ময়লা আর্জনা ফেলার উপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও অবৈধ দখল উচ্ছেদের নির্দেশনা থাকলেও তা ভূমিদস্যূরা মানছে না। বাঁকখালী নদী ভরাট ও ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দুষনের প্রতিবাদে স্থানীয় বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছিল। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তেমন কোন সাড়া মেলেনি।

এই ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত মেয়র মাহবুবুর রহমান চৌধুরী জানান, বাঁকখালী নদী ভরাট করে দখলের কাজে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে অতি শিঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কক্সবাজার পরিবেষ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক সর্দার শরীফুল ইসলাম জানান, বাঁকখালী নদী ভরাট ও ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দুষন করার কাজে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনেরও প্রস্তুতি চলছে।






মন্তব্য চালু নেই