মেইন ম্যেনু

বাঁচতে চায় করটিয়ার চা বিক্রেতা মাসুদ রানা

‘‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’’ এ কথাটি যেমন সত্যি ঠিক তেমনি আমাদের সমাজে কিছু অসহায় মানুষ আছে যাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সমাজের কিছু বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদেরও একান্ত কর্তব্য। এক বা একাধিক ব্যক্তির আর্থিক সহযোগীতায় ফিওে পেতে পারে একটি নতুন জীবন।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ মিয়ার পুত্র হত দরিদ্র চা বিক্রেতা মাসুদ রানার (৩৫) একটি বাল্ব অকেজো হয়ে গেছে। বর্তমানে সে মৃত্যু পথযাত্রী। তার ১১ বছর ও ৫ বছরের দু’টি ছেলে সন্তান রয়েছে। সংসারের একমাত্র উর্পাজনক্ষম ব্যক্তি তিনিই। বিগত ২০০৪ সালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকরা জানান, তার একটি বাল্ব নষ্ট হয়ে গেছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল থেকে তাকে ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউটে স্থানান্তর করেন। চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে সাধ্য না থাকলেও বেঁচে থাকার সাধে ভর্তি হন জাতীয় হৃদরোগ ইনষ্টিটিউটে। সেখানকার চিকিৎসকরা তার বাল্ব অপারেশনের পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী ঋণ করে সাড়ে ৩ লাখ টাকা ব্যায়ে অপারেশন হন তিনি। কিছু দিন সুস্থতা বোধ করলেও বিগত ২০০৭ সালে আবার একই সমস্যা দেখা দেয়। এখানেও পরামর্শ অপারেশনের। কিন্তু কোথায় পাবে অপারেশনের খরচ। স্ত্রী পুত্র ও পরিবারের স্বজনদের নিয়ে বেঁচে থাকার প্রবল ইচ্ছা মাসুদের। খরচ জোগানোর উপায়ান্তর না পেয়ে বাড়ি ভিটা বিক্রি করে অপারেশন হন তিনি। কিন্তু তারপরও একই সমস্যাটি দেখা দিয়েছে এখন।
সম্প্রতি হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মাদ্রাজ গিয়ে অপারেশনের পরামর্শ দেন। এতে প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানান চিকিৎসকরা। সহায় সম্বল বিক্রি করে নিরীহ পরিবারটি এতদিন চিকিৎসা খরচ জুগিয়ে এখন নিঃস্ব প্রায়। ভারতের মাদ্রাজ নিয়ে তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয় হবে। কিন্তু নিরীহ পরিবারের কাছে ১ টাকাও সম্বল নেই। চিকিৎসা করবে কি দিয়ে? তাই সহায় সম্বলহীন মাসুদ পৃথিবীর আলোয় বেঁচে থাকার জন্যে সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- মাসুদ রানা, সঞ্চয়ী হিসাব নং- ৫৯৪, রূপালী ব্যাংক, বাসাইল শাখা, টাঙ্গাইল। অথবা বিকাশ-০১৯১৯৮৫৩৮৫১।






মন্তব্য চালু নেই