মেইন ম্যেনু

বাঁধাকপির জুস খেলে ৬ উপকার

পুষ্টিগুণে ভরপুর বাঁধাকপি। শুধু সবজি হিসেবে নয়, জুস হিসেবেও খাওয়া যায় বহুগুণসম্পন্ন বাঁধাকপি। এতে আছে এ, বি১, বি২, বি৬, ই, সি, কে, ক্যালসিয়াম, আয়রন, আয়োডিন, পটাশিয়াম, সালফারসহ আরও নানা ধরনের প্রয়োজনীয় উপাদান। জুস করে বাঁধাকপি খেলে মুখে তেতো স্বাদ পাবেন। তবে এর পুষ্টিগুণ বিবেচনায় এই তেতো জুসও খেতে পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের বেঙ্গালুরুভিত্তিক পুষ্টিবিদ শালিনি মাংলানি এনডিটিভিতে বাঁধাকপির জুসের পুষ্টিগুণের কথা বলেছেন। চলুন জেনে আসি এ জুসের গুণ সম্পর্কে:

১. বাঁধাকপির জুস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ত্বক সতেজ রাখে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি চুলের জন্যও দারুণ উপকারী।

২. বাঁধাকপিতে থাকা ভিটামিন কে ও সি ক্যানসার ও হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ করে। বাঁধাকপিতে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান স্তন, ফুসফুস, পাকস্থলী, প্রোস্টেট ও কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

৩. নয়াদিল্লির পুষ্টিবিদ শিল্পা অরোরার মতে, বেগুনি ও সবুজ দুই ধরনের বাঁধাকপি সিলিকন ও সালফারসমৃদ্ধ। সবজিটিতে থাকা সালফার ত্বকের কোষে থাকা বর্জ্যগুলো দূর করে ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে। শুধু ত্বক নয়, দেহের ভেতরে থাকা দূষিত পদার্থগুলোও দূর করে দেয় বাঁধাকপি।

৪. ওজন কমানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বাঁধাকপি। প্রতিদিন বাঁধাকপির জুস পান করলে হজমশক্তিও বাড়ে।

৫. যকৃৎ পরিষ্কার রাখতেও ভূমিকার রাখে বাঁধাকপির জুস। বাঁধাকপির জুসে থাকে ‘ইনডোল-৩ কার্বোনিল’ নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা যকৃৎকে পরিষ্কার রাখে।

৬. বাঁধাকপির জুস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ক্ষতিকর রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে লড়ে দেহকে রোগ প্রতিরোধ সক্ষম করে। বাঁধাকপির জুস এ ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

যেভাবে বাঁধাকপির জুস:
বাঁধাকপির পাতাগুলো ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এরপরে ব্লেন্ডারে দিয়ে জুস বানিয়ে নিন। জুসের তেতো ভাব কমাতে লেবুর রস, পুদিনাপাতা কিংবা মধু যোগ করতে পারেন। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।






মন্তব্য চালু নেই