মেইন ম্যেনু

বাঁশখালীতেই হবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র

এলাকাবাসীর প্রবল আপত্তি থাকলেও বাঁশখালীর কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী।

রোববার বিকেলে বিদ্যুৎভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

ড. ইলাহী বলেন, কাছেই সমুদ্র এবং আবাসন কম ফলে সব দিক বিবেচনায় বাঁশখালীতে নির্ধারিত স্থানেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এস আলম গ্রুপের ওই বিদ্যুকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে গত সোমবার ত্রিমুখি সংঘর্ষে কমপক্ষে চার জন গ্রামবাসী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো অনেকে। এ ঘটনার পর বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছিলেন, প্রকল্পটি অন্যখানেও সরিয় নেয়া হতে পারে।

এদিকে রোববার প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, কিছু উদ্ভট চিন্তাভাবনা আছে। এগুলো কোথা থেকে আসে জানি না। উদ্ভট কথা বলে অযথা কতগুলো মানুষের জীবন পর্যন্ত নিয়ে নেওয়া হলো। এটা দুঃখজনক।

অপরদিকে প্রকল্প বাতিলে সরকারকে ২৫ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে উল্টো ১৫ দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেছে স্থানীয় ‘বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’। গতকাল শনিবার স্থানীয় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয় জানান কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী।

এর আগে সাতকানীয়া সার্কেলের এসপি কামরুল হাসান, বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ কবির লিটনের সঙ্গে বৈঠক হয় ‘বসতভিটা ও কবরস্থান রক্ষা কমিটি’র। এসপি জানান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দিয়ে তদন্ত করা হবে। এই আশ্বাসের ভিত্তিতেই আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করেছে তারা।

কমিটির আহ্বায়ক লিয়াকত আলী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন। প্রতিবেদনে পরিবেশ ও মানুষের কোনো ক্ষতি হবে না এমন নিশ্চয়তা পেলেই জনগণের মতামতের ভিত্তিতে আন্দোলনে থেকে সরে আসা হবে, অন্যথায় আবারো আন্দোলন শুরু হবে।






মন্তব্য চালু নেই