মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশের তিন এমপির উপস্থিতিতে কলকাতায় ইলিশ উৎসব

রবিবার কলকাতার কাঁকুরগাছির সুভাষ পার্কে ইলিশ উৎসবের আয়োজন করেছিলেন তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পাল৷ এই ইলিশ উৎসবে পদ্মাপারের ইলিশ নিয়ে মেতেছিল গঙ্গাতীরের দুইপারের মানুষ৷

নিমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশের তিন সাংসদও। মনোরঞ্জন শীল, শিশির শীল এবং মুহাম্মদ আব্দুল উয়াকুব দারা৷ তাঁদের হাত ধরেই অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন হয় এদিন৷

পরেশ পালের উদ্যোগে আয়োজিত এই ইলিশ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্টজন থেকে আমজনতা, প্রত্যেকেই। এদিনের ইলিশ উৎসবে হরেকরকম ইলিশপদে কবজি ডোবালেন সকলেই৷ উপস্থিত ছিলেন নগরোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, নারী ও শিশুকল্যণ মন্ত্রী শশী পাঁজা, মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, বিধায়ক দেবশ্রী রায় ও আরও অনেকে৷

ইলিশ উৎসবে শুরু থেকে শেষ অবধি ছিল ইলিশের নানা সুস্বাদু পদ৷ কাচ্চি বিরিয়ানি, ইলিশের মালাইকারি, সর্ষে ইলিশ, ইলিশ দিয়ে কচু শাক, চালতা দিয়ে ইলিশের টক৷ তবে ইলিশ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের সাংসদের মুখে বারবারই উঠে আসছিল তিস্তা চুক্তির প্রসঙ্গ৷
মুহাম্মদ ইয়াকুব দারা বললেন, ‘দুই দেশ পরস্পরের বন্ধু৷ তাই এই বাংলাকে ইলিশ দিতে তাঁরা প্রস্তুত৷ কিন্তু তার পরিবর্তে এপারকেও জল দিতে হবে৷ তবে এটি সম্পূর্নভাবেই দুই রাষ্ট্রের ব্যাপার৷ তিনি আশা করছেন তিস্তা চুক্তি খুব শীঘ্রই সম্পন্ন হবে’।

সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় খুব আশা নিয়ে জানিয়েছেন কেন্দ্র যদি অন্য অনেক চুক্তির মতো সীমান্ত চুক্তি নিয়েও এগিয়ে যায় তাহলে এপারের মানুষ অনেক বেশি ইলিশ খেতে পারবেন।

এবছর বাংলায় ইলিশের অভাবের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় বললেন, ‘জাল দিয়ে খোকা ইলিশ তুলে নেওয়ার ফলেই এবছর বেশি ইলিশ পায়নি বাংলা৷ যদিও এদিনের ইলিশ উৎসবেও খোকা ইলিশের মালাইকারির স্বাদই পেয়েছেন নিমন্ত্রিতরা৷
সূত্র: কলকাতা।






মন্তব্য চালু নেই