মেইন ম্যেনু

চীনের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কে নতুন মাত্রা

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশ সফরে আসছেন শুক্রবার। তার দুই দিনের সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর হবে। এছাড়াও আশ্বাস পাওয়া যাবে নানা সহযোগিতার। চীনের প্রেসিডেন্টের সফর উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। সরকারের তরফ থেকেও চীনের পাশে থাকার ও সহযোগিতার হাত প্রসারিত করা হবে। বাংলাদেশের ঘনিষ্ট বন্ধুদের একটি চীন। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ণে চীন সব সময় সহায়তা করে আসছে। চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর। এরমধ্যে অন্যতম সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। চীন প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের প্রাক্কালে তার কাছে জানতে চাওয়া হয় চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফর নিয়ে। তিনি বিশ্লেষন করেছেন তার মতো করে।

সৈয়দ আবুল হোসেন বলেন, চীন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার। ২০১০ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র চীন সফর দু’দেশের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যায়। যোগাযোগ, জল-স্থল এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এক বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেয়। চীনের সহায়তায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। চীন বাংলাদেশের স্বপ্নের অনেক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে। তাই চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর বাংলাদেশে এই সফর অত্যন্ত অর্থবহ। আড়াই হাজার বছরের বাংলাদেশ-চীনের আতিথেয়তা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দু’দেশের বিশেষ করে, আমাদের জন্য নানা দিক থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আশা করি, বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর এ সফর দুই প্রাচীন সভ্যতার যোগাযোগ, প্রীতি ও মৈত্রীর বন্ধনকে আরো গতিশীল করবে এবং এক সমৃদ্ধশালী গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।

আবুল হোসেন চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের কথা বলতে গিয়ে বলেন, মূলত বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও চীনের রয়েছে সমৃদ্ধ ইতিহাস। দক্ষিণ এশিয়ায় চীনা ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। উভয় দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে গত তিন দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। প্রয়োজনের প্রতিটি মুহূর্তে সবসময় চীন বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। চীন ও বাংলাদেশের মধ্যকার গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সর্ম্পক উন্মোচন করে যাচ্ছে নতুন নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত। বাংলাদেশের বেশ ক’টি মেগা প্রকল্পে চীন অর্থায়ন করেছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে করেছে সমৃদ্ধ। বেশ ক’টি উল্লেখযোগ্য সেতুও চীন তৈরি করে দিয়েছে- যা চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু নামে পরিচিত। রাজনৈতিক আদর্শ এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থার ভিন্নতা সত্ত্বেও এই দুই দেশের মধ্যে চমৎকার কুটনৈতিক সম্পর্ক বিরাজমান।

আবুল হোসেন বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে, অর্থনৈতিক অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, শিল্প এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রেও চীন সহযোগিতা করে আসছে। প্রতিরক্ষা খাতকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাথে সংযোগ করতে চীনের সাথে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ। নৌবাহিনীকে সমুদ্রপৃষ্ঠে যুদ্ধ করার উপযোগী নৌবহর, সমুদ্রতলে সাবমেরিন এবং আকাশে নৌবাহিনীর নিজস্ব জঙ্গি বিমান, সেনাবাহিনীর জন্য আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, বিমান বাহিনীর জন্য বোমারু বিমান সুসজ্জিত করে তোলার ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা খাতকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। সশস্ত্রবাহিনী ও নৌবাহিনীকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিতেও চীন এগিয়ে এসেছে। দক্ষিণ এশিয়ার আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের নিরিখে এ দু’দেশের সম্পর্ক এক নতুন মাত্রা লাভ করেছে। দু’টি দেশের মধ্যকার এই সুসম্পর্ক প্রতিনিয়ত নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের অর্জনএর বিষয়ে আবুল হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সম্পর্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধনে- তা আজ বিশ্ববাসীর জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত। চীন বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশের উন্নয়নে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে সবসময়। বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে চীনের অবদান চিরস্মরণীয়। শিক্ষা, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ, প্রতিরক্ষা সমৃদ্ধির প্রতিটি অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশের পাশে থেকেছে চীন। সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, সর্বোপরি, সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসাথে কাজ করে যাচ্ছে দেশ দু’টি। ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের পদযাত্রায় বাংলাদেশকে সাহস জুগিয়ে যাচ্ছে চীন।

চীনের অবদানের কথা বলতে গিয়ে আবুল হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সময় ও সংকটের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে- অর্থ সাহায্য, কারিগরি সাহায্য, অনুদান, বিনিয়োগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, আমদানি-রফতানিসহ উন্নয়নের সকল ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা পেয়ে এসেছে বাংলাদেশ। বিশেষত সামরিক সরঞ্জাম, অস্ত্রশস্ত্র এবং সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে উভয় দেশের সম্পর্ক আজ ঈর্ষণীয় পর্যায়ে। চীনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বোয়া ফোরাম ফর এশিয়া’র মাধ্যমে চীন বাংলাদেশসহ এশিয়ার দেশগুলোর উন্নয়নে অবদান রাখছে। এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এ অঞ্চলের জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবে। উল্লেখ্য, বোয়া ফোরাম ফর এশিয়া’র বাংলাদেশের স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমি সম্পৃক্ত রয়েছি।

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের বিশ্লেষন করতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং চীন- দেশ দু’টির রয়েছে হাজার বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাস। সাহিত্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হিসেবে বিশ্বব্যাপী দেশ দু’টির যে অসাম্প্রদায়িক পরিচয় তা কূটনেতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে। এশিয়ায় শান্তি আলোচনায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক- এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের নাম, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ চীনের তৃতীয় বৃহত্তম ব্যবসায়িক অংশীদার। অভিন্ন আকাক্সক্ষা তথা উভয় দেশের জনগণের উন্নত জীবনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও চীন। চীনের আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশে অনেক অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মৈত্রী সেতু ও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র।

চীনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের কথা উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, দেশ দু’টির সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা, সামাজিক যোগাযোগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং সামরিক বিক্রয়-সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ইতোমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। চীনের অর্থনীতির ব্যাপক সমৃদ্ধি বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রচুর বিনিয়োগ সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।

বাংলাদেশ-চীন: বন্ধুত্ব ও বিশ্বস্ততার অনন্য উদাহরণ হিসাবে অ্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের তীর্থভূমি হিসেবে পরিচিত চীন। চীন পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল এবং আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার সর্ববৃহৎ রাষ্ট্র। শুধু আয়তন বা জনসংখ্যা নয়, সুপ্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের জন্য পৃথিবীব্যাপী চীনের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। বহু শতাব্দীধরে, বিশেষ করে, ৭ম শতাব্দী থেকে ১৪শ শতাব্দী পর্যন্ত চীন ছিল বিশ্বের সবচেয়ে অগ্রসর সভ্যতার ভূমি। আধুনিক সভ্যতার বিভিন্ন উপাদান যেমন- কাগজ, ছাপাখানা, বারুদ, চীনামাটি, রেশম এবং দিক নির্ণয়ী কম্পাস- সবই চীনে প্রথম উদ্ভাবিত হয় এবং সেখান থেকে বিশ্বের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। চীনের সুদীর্ঘ সংগ্রামী ইতিহাসের পরিক্রমায় ১৯৪৯ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি গৃহযুদ্ধে জয়লাভ করে ভূখ-ে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। গণপ্রজাতন্ত্রী চীন হলো শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে পরিচালিত এবং শ্রমিক-কৃষক মৈত্রীরভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত জনগণতান্ত্রিক একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ। সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের মৌলিক ব্যবস্থা।

পেছনের কথা চেনে তিনি বলেন, ১৯৪৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর চীনের কমিউনিস্ট সরকার কৃষি ও শিল্পব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনার অধীনে নিয়ে আসে। ১৯৭০-এর দশকের শেষ থেকে চীন অর্থনৈতিক সংস্কার সাধন করে। এর ফলে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে অর্থনীতিকে আরও সংস্কার আনা হয়। ফলে চীনা অর্থনীতি ১৯৮০ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বছরে ১০% হারে প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। ফলশ্রুতিতে চীনা অর্থনীতি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা হওয়ায় বাংলাদেশ এবং চীন সার্বিকক্ষেত্রে বৈদেশিক উন্মুক্তদ্বার নীতি প্রচলন করে। সমতা আর পারস্পরিক সমৃদ্ধির নীতিরভিত্তিতে বিশ্বের সকল দেশ আর অঞ্চলের সঙ্গে ব্যাপকভাবে বাণিজ্য আদান-প্রদান, অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতা এবং অভিন্ন সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করেছে।

আবুল হোসেন বলেন, চীন স্বাধীন আর স্বতন্ত্র শান্তিপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে। এই নীতির মৌলিক লক্ষ্য হলো- চীনের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভূভাগের অখ-তা রক্ষা করা। চীনের সংস্কার, উন্মুক্ততা আর আধুনিক গঠনকাজের জন্য একটি চমৎকার আন্তর্জাতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা। বিশ্বশান্তি রক্ষা ও অভিন্ন উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা। বাংলাদেশ চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ন্যায় ও যুক্তিযুক্ত আন্তর্জাতিক রাজনীতি আর অর্থনীতির নতুন শৃক্সক্ষলা প্রতিষ্ঠার কাজকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। পরস্পরের সার্বভৌমত্ব আর ভূভাগের অখ-তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন, পারস্পরিক আক্রমণ ও পরস্পরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা, সমতা আর পারস্পরিক উপকারিতা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পঞ্চশীল নীতিরভিত্তিতে সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা ও তা সম্প্রসারণ করতে দুটি দেশই বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশের মানুষের দৃষ্টিভঙ্গির কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চীনকে পরীক্ষিত বন্ধু মনে করে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে, বিশেষ করে, অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বড় সেতু, বিদ্যুৎ প্রকল্প, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র ইত্যাদি খাতে চীনের অসামান্য অবদান রয়েছে। বাণিজ্যিক, তথ্য প্রযুক্তি, যোগাযোগ, সামরিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-চীনের সম্পর্ক বর্তমানে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।

পরিশেষে আবুল হোসেন বলেন, বাংলাদেশের সাথে চীনের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আজ অসামান্য সাফল্যের স্মারক। চীনা প্রেসিডেন্টের এসফর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দেশ পরিচালনায় সফল নেতৃত্বের স্বীকৃতি। উন্নয়ন সহযোগিতা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ- এসব ক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকেও চীনের বন্ধুত্ব বাংলাদেশের জন্য বিশেষ কাম্য। আশা করি, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর এসফর দু’দেশের গভীরতর সম্পর্ককে আরো গভীরতর করবে। চীনা প্রেসিডেন্টের সফর সফল হোক। বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব দীর্ঘজীবী হোক, অমর হোক।






মন্তব্য চালু নেই