মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ড

সন্ত্রাসী হামলার কারণে ভেস্তে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে আগামী অক্টোবরে বাংলাদেশে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত গুলশানে যে ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী হামলা হয়েছে এবং যেভাবে অকাতরে বিদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন, তাতে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন পুরো বিশ্ব। এখানে বিদেশি নাগরিকরা কতটা নিরাপদ- সেটাই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। ঠিক এ বিষয়টার প্রতিই গভীর পর্যবেক্ষণ শুরু করে দিয়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)।

গুলশান হামলার পর ঢাকার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে শুরু করেছে অন্য দেশগুলো। আর মাত্র দু’মাস পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ এবং ইংল্যান্ডের মধ্যকার সিরিজ। সেই সিরিজটির বিষয়ে এখনই কোন হ্যাঁ অথবা না সূচক কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসিবি। তারা গভীরভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। এমনকি নিরাপত্তার স্বার্থে সিরিজে অংশ না নেয়ার মত কঠিন কোন সিদ্ধান্তও তারা নিতে পারে বলে জানিয়েছে একটি ইংলিশ মিডিয়া।

রিচমন্ড অ্যান্ড টুইকেনহ্যাম টাইমস নামে একটি ইংলিশ মিডিয়ায় শিরোনামই করা হয়েছে, ‘ইসিবি মনিটরস বাংলাদেশ সিসুয়েশন আফটার ঢাকা টেরোরিস্ট অ্যাটাক।’ এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইসিসি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সঠিক সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করবে।

মাত্রই সপ্তাহ খানেক আগে বাংলাদেশ সফরের সূচি ঘোষণা করেছিল ইসিবি। ৩০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ইংল্যান্ডের। অথচ ঢাকায় ভয়াবহ হামলা এবং ২০ বিদেশি নাগরিক হত্যার পর ইসিবি এটা নিশ্চিত করে দিয়েছে যে, নিরাপত্তা ইস্যুতে কোন ছাড় তারা দেবে না।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের প্রতি সতর্কতা জারি করা হয়েছে ইংল্যান্ড পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে। তাদেরকে উপদেশ দেয়া হয়েছে যে, বিদেশি নাগরিকরা যে সব জায়গায় সমবেত হয়, আন্তর্জাতিক মানের হোটেলগুলোর পাবলিক এরিয়া এবং বড় সুপার মার্কেট, রেস্তোরা এবং ক্লাবে না যেতে।

এরপরই ইসিবির এক মুখপাত্র বলেন, খেলোয়াড় এবং দলীয় কর্মকর্তাদের নিরাপত্তাই সবার আগে আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ক্রিকেটই নয়, বিদেশে সফরকালে ইংল্যান্ডের সব খেলার সবগুলো দলের ব্যাপারেই এ নীতি অবলম্বন করা হয়।’

ইসিবির ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমরা খুব গভীরভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আগামী সপ্তাহ এবং মাসগুলোতে সেখানকার পরিস্থিতি কেমন হয় তার ওপরই অনেক কিছু সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে। প্রয়োজন হলে সফরের আগে আমরা নিরাপত্তা বিষয়টা আরও পর্যবেক্ষণ করবো। ইংল্যান্ড ক্রিকেটারদের জন্য কী নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে সেগুলো খতিয়ে দেখবো।’






মন্তব্য চালু নেই