মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশ সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে মিয়ানমার

নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় ৯ পুলিশসহ ১৭ জনের প্রাণহানির পর বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে সব স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে দেশটি।

এর আগে রোববার ভোর রাতে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর অন্তত তিনটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ওই দিন ভোরে রাখাইন রাজ্যের মংডু ও ইয়াথা টং শহরের তিনটি নিরাপত্তা চৌকিতে রাইফেল, ছুরি ও বিস্ফোরক নিয়ে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ওই রাজ্যে দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানের বসবাস। রোহিঙ্গা মুসলমানদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না সেদেশের সরকার।

মিয়ানমার সরকার বলছে, হামলায় অন্তত ৯ পুলিশ সদস্য ও আট বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। এ ছাড়া আরো এক পুলিশ সদস্য নিখোঁজ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত আক্রান্ত এলাকায় কারফিউ জারি করা হয়।

এ ছাড়া রাজ্যে ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময় রাখাইন সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের সঙ্গে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর রাখাইনে রাত ১১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত আংশিক কারফিউ জারি করে প্রশাসন; যা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

মংডু জেলার সাধারণ প্রশাসক ইয়ে নাইং তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা আনাদোলু নিউজ অ্যাজেন্সিকে বলেন, রোববার থেকে সব ধরনের বাণিজ্যিক ও অন্যান্য ফটক বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ওই এলাকায় পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহে প্রতিবেশি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে না। সীমান্তের ৪ শতাধিক সরকারি স্কুল সাময়িক বন্ধ করে দিয়েছে মিয়ানমার সরকার।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিয়াও টিন্ট বলেছেন, সীমান্তে হামলায় অন্য দেশের অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে কিনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই