মেইন ম্যেনু

বাঙালির প্রিয় ৮টি খাবার যেগুলি খেলে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়ে

আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এমন কিছু‌ খাবার রয়েছে, যেগুলি খেলে বেড়ে যায় ক্যান্সারের সম্ভাবনা। এখানে রইল তেমনই ৮টি খাবারের কথা—

ক্যান্সার যে এক মারণব্যাধী তা নতু‌ন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ডাক্তাররা বলছেন, আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় এমন কিছু‌ খাবার রয়েছে, যেগুলি খেলে বেড়ে যায় ক্যান্সারের সম্ভাবনা। এখানে রইল তেমনই ৮টি খাবারের কথা—

১. পটাটো চিপস ও ফ্রেঞ্চ ফ্রাই:
সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, পটাটো চিপস এবং ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির জন্য যে তেল ব্যবহার হয়, তা স্বাস্থ্যের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। তা ছাড়া, এই ধরনের খাবারে লবণের যে ধরনের আধিক্য থাকে তা-ও ক্ষতিকর। পরিণামে এই সব খাবার ক্যান্সারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

২. হট ডগ, সসেজ বা হ্যামবার্গারের মতো প্রসেসড মাংস:
মূলত বিদেশি এই সব খাবারও বর্তমানে ভারতীয় ও বাঙালিদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু এই সব খাবার বানানোর জন্য এমন ধরনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাংসকে জারিত করা হয়, যাতে সেগুলি ক্যান্সারের জন্মদাতা হয়ে ওঠে।

৩. কাবাব বা তন্দুরে তৈরি মাংস:
মাংসের কাবাব ও তন্দুরি খেতে যতই সুস্বাদু হোক না কেন, যে উচ্চ তাপমাত্রায় মাংসকে পোড়ানো হয় কাবাব ও তন্দুরি প্রস্তুতিতে, তাতে এই ধরনের খাবার ক্যান্সারের বীজবাহী হয়ে ওঠে।

৪. মটন:
খাসি বা পাঁঠার মাংসের খাদ্যগুণ যথেষ্ট। কিন্তু মটনে এমন কিছু উপাদানও থাকে, যেগুলি নিয়মত খেলে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৫. পান ও সুপুরি:
তামাক বা গুটখা যে মুখের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ, তা এতদিনে জেনে গিয়েছেন প্রায় সকলেই। কিন্তু ডাক্তারেরা বলছেন, সাধারণত পানের সঙ্গে যে সুপুরি খাওয়া হয় তা-ও কার্সিনোজেনিক, অর্থাৎ ক্যান্সারের জন্মদাতা।

৬. মদ:
অনেকেরই ধারণা মদ খেলে শরীরের তেমন কোনও ক্ষতি হয় না। তাহলে জেনে রাখুন, যে কোনও মদেই থাকে অ্যালকোহল। আর সমীক্ষা বলছে, তামাকের পরে অ্যালকোহল সেবনের কারণেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।

৭. সোডা:
সোডা অনেকেরই প্রিয় পানীয়। মদ্যপানের সময়েও অনেকে সোডার সাহচর্য পছন্দ করে থাকেন। কিন্তু সোডাও অনেকের মতে ক্যান্সারের কারণ হিসেবে কাজ করে।

৮. ডায়েট কোল্ড ড্রিংক, বা ডায়েট মিল্ক:
আজকাল বাজারে ডায়েট খাবারের ছড়াছড়ি। ঠান্ডা পানীয় থেকে শুরু করে দুধ— সবকিছুই ডায়েট অথবা লো ফ্যাট হয়ে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের খাবারও ক্যান্সারের বীজ হিসেবে কাজ করে।






মন্তব্য চালু নেই