মেইন ম্যেনু

বাচ্চার সুস্থতায় মৌসুমী ফল

গ্রীষ্মের খরতাপে নিয়মিত ক্লাস আর কোচিং নিয়ে ব্যস্ত থাকা বাড়ির সবচেয়ে ছোট সদস্যটি হয়ে পড়ে খুবই ক্লান্ত। শরীর থেকে ঘামের সঙ্গে বের হয়ে যায় প্রয়োজনীয় লবণ। তারওপর আবার যখন তখন বৃষ্টির পানিতে ভিজে সর্দি জ্বরের প্রকোপ তো আছেই। সঠিক যত্নের অভাবে বাচ্চাটি দূর্বল হয়ে পড়ে। তাছাড়া দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সক্রিয় রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় পুষ্টির যোগান। আর তাই এই গরমে বাচ্চাকে সুস্থ রাখতে বেশি করে মৌসুমী ফল খাওয়ানো উচিৎ। এসময় আমাদের দেশে পুষ্টিগুণে ভরা নানা ধরনের ফল পাওয়া যায়। বাচ্চার খাদ্য তালিকায় কেমিকেল মুক্ত, সহজলভ্য, দেশীয় এসব ফল রাখা খুবই উত্তম।

– এই গরমে বাচ্চাকে বাইরের খাবার থেকে বিরত রাখতে হবে। অতিরিক্ত গরমে বাচ্চার ডায়রিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়। ঘরে তৈরি টাটকা খাবারের সঙ্গে নিয়মিত দেশীয় ফল বাচ্চাকে নানা রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।

– বাচ্চাবে মৌসুমী ফল বেশি করে খাওয়ান। ফল সরাসরি খেতে না চাইলে বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে বাড়িতে তৈরি জুস দিতে পারেন। এতে দেহের পানি শূন্যতা দূর হবে, আবার ফলের পুষ্টিও পাবে।

– হরেক রকম ফলে থাকা খাদ্য আঁশ বাচ্চার হজম শক্তিকে বাড়িয়ে তুলবে সহজেই। তার খাওয়ার আগ্রহ বাড়বে অনেক বেশি। পেটের অসুখ সারাতেও মৌসুমী ফলের জুড়ি নেই।

– দেশীয় ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বাচ্চার শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এমনকি ক্যানসারের মতো ভয়াবহ রোগের জীবানু দূর করতেও কার্যকরী।

– ফলে থাকা ভিটামিন সি খাবারের রুচি বাড়িয়ে তোলে। গরমের দিনে নানা রকম চর্মরোগ প্রতিরোধ করতেও দেশীয় ফল খাওয়ানোর বিকল্প নেই।

– সর্বপরি, দেশীয় ফলের সবচেয়ে বেশি আধিক্য থাকে এই মৌসুমে। এসময় পর্যাপ্ত ফল খেয়ে শরীরে পুষ্টি চাহিদা পূরণসহ পুরো বছর জুড়ে সুস্থ থাকার নিশ্চয়তা পাওয়া সম্ভব। তাই আপনার বাচ্চার সুস্থতায় বেশি করে ফল খাওয়ান।






মন্তব্য চালু নেই