মেইন ম্যেনু

বাদী ও ভিকটিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন ও তার স্ত্রী জেসমিন জাহান ওরফে নৃত্য শাহাদাতের বিরুদ্ধে দায়ের করা শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলার বাদী এবং ভিকটিমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার পাঁচ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তানজীনা ইসমাইল এই পরোয়ানা জারি করে আগামী ১৭ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী দিন ধার্য করেন।

যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে তারা হলেন-মামলার বাদী সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক ও ভিকটিম গৃহকর্মী মাহফুজা আক্তার হ্যাপি।

মামলাটিতে মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বাদী সাক্ষ্য দিতে না আসায় এবং ভিকটিমও ট্রাইব্যুনালে হাজির না হওয়ায় এ পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। তবে এ দিন শাহাদাত এবং তার স্ত্রী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল।

প্রসঙ্গত,২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৪(২) খ ধারায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুর রহমান ঢাকা সিএমএম আদালতে এমামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ১২ জানুয়ারি মামলাটি ঢাকা সিএমএম আদালত থেকে ঢাকার পাঁচ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর গত ৪ ফেব্রুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত।

মামলাটিতে গত বছর ৪ অক্টোবর শাহাদাতের স্ত্রী জেসমিন জাহান নিত্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। গত বছর ৫ অক্টোবর শাহাদাত আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তারও জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। এরপর ৮ অক্টোবর শাহাদাতকে তিন দিনের রিমান্ডেও নেওয়া হয়।

দীর্ঘদিন কারাভোগের পর গত ১ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ নিত্যের এবং গত ৮ ডিসেম্বর হাইকোর্ট শাহাদাতের জামিন মঞ্জুর করলে তারা কারামুক্ত হন।

গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে ক্রিকেটার শাহাদাত হোসেন রাজীবের বিরুদ্ধে ৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিক খন্দকার মোজাম্মেল হক মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলায় শাহাদাত ও তার স্ত্রী নিত্য শাহাদাতকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে তাদের বিরুদ্ধে শিশুটিকে অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়।






মন্তব্য চালু নেই