মেইন ম্যেনু

বান্দরবানের লামায় স্কুল শিক্ষিকার হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

স্কুল শিক্ষিকা মাইক্যচিং মার্মাকে হত্যার প্রতিবাদে ও খুনি স্বামীর ফাঁসির দাবিতে লামার সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীরা মানববন্ধর করেছে। ৩১ অক্টোবর শনিবার বেলা ১২টায় লামা উপজেলা পরিষদের সামনে লামার ৫শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রী এই মানববন্ধনে যোগ দেয়। কান্না জড়িত কন্ঠে সকল বক্তারা খুনি থোয়াইশৈমং মার্মার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি সহ ফাঁসির দাবি করেন।

জানা গেছে, লামা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড সমিল পাড়ায় ৩০ অক্টোবর শুক্রবার রাত ৯টায় রুপসীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাইক্যচিং মার্মা(২৮)কে জবাই করে হত্যা করেছে তার স্বামী থোয়াইশৈমং মার্মা(৩৪)। এসময় স্থানীয় জনসাধারণ ঘাতক স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলে পুলিশের নিকট সে নিজ হাতে হত্যা করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। পুলিশ খুনি থোয়াইশৈমং কে গ্রেফতার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বান্দরবান সিভিল সার্জন মর্গে প্রেরণ করেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ ৭বছর প্রেম করে অবশেষে ৪মাস আগে বিয়ে করে তারা। ভালবাসার সংসার এভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে এটা ভাবতে পারেনি তারা। সংসার গড়ার আগে ভেঙ্গে যাবে তা কারোরই জানা ছিল না।

মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য জহিরুল ইসলাম, প্রবীণ শিক্ষক প্রমোদ চন্দ্র বড়–য়া, শিক্ষক নেতা আকতার উদ্দিন তপন, নুরুল আবছার, মোঃ ওহিদুল্লাহ, জাহেদ সারোয়ার, নাজিম উদ্দিন, ক্যচিংমে মার্মা, মীরা দাশ, আবদুল দয়ান, উথোয়াই মার্মা সহ প্রমূখ।
হত্যা মামলার তদন্তকারী অফিসার লামা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) অভিজিৎ দাস বলেন, স্কুল শিক্ষক হত্যার ঘটনাটি মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা নং-১৬, তারিখ-৩০ অক্টোবর ২০১৫ইং। খুনি থোয়াইশৈমং মার্মাকে গ্রেফতার করে শুক্রবার রাতে তার শারীরিক অবস্থার খারাপ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য বান্দরবান জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় আজ শনিবার বেলা ১২টায় তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই