মেইন ম্যেনু

“বাবাকে বলেছিলাম শুধু পাশ করাতে, কিন্তু বোর্ড ফাস্ট করিয়ে দিল”

“আমি বাবাকে বলেছিলাম পাশ করাতে, কিন্তু উনি তো আমাকে প্রথম করিয়ে দিলেন।” বিহারে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোনোর পর থেকেই আলোচনায় রয়েছে রুবি রাইয়ের নাম। সাফল্যের জন্য নয়, জালিয়াতি করে মানবিকের প্রথম হওয়ার জন্যই বেশি আলোচিত হয়েছে রুবি রাই। শনিবার গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। এরপর তদন্তকারী অফিসারদের জেরায় সে জানায়, বাবার বদৌলতেই নাকি সে আর্টস বিভাগে টপার হয়েছে। দোষারোপ করে বিষ্ণু রাই কলেজের প্রিন্সিপাল বাচ্চা রাইয়ের বিরুদ্ধেও।

বিহারে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোনোর পর হঠাৎ করেই বেরিয়ে আসে দুর্নীতির গন্ধ। এক সাংবাদিক মানবিকের প্রথম হওয়া রুবিকে প্রশ্ন করেন আপনার কী কী বিষয় ছিল? উত্তরে তিনি ‘প্রডিক্যাল সায়েন্স’-এর নাম শোনেন। প্রথমে হকচকিয়ে গিয়ে পরে রুবিকে প্রশ্ন করেন ওই বিষয়ে কী পড়ানো হয়? উত্তরে রুবি জানায়, “রান্নাবান্না শেখানো হয়।”

সংবাদমাধ্যমে বোর্ডের দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়ায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। গঠন করা হয় স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)। তদন্তের কারণে শুরু হয় গ্রেপ্তারি। পরে, বিহার মাধ্যমিক বোর্ডে সেরাদের আবারো একবার পরীক্ষায় বসার নির্দেশ দেয়া হয়। সেই পরীক্ষায় ফেল করে সৌরভ। যদিও শরীর খারাপের কথা বলে পরীক্ষা দিতে যায়নি রুবি। আরো দু’বার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষায় বসেনি রুবি।

এরপর গত শনিবার পুনরায় পরীক্ষা দিতে আসে রুবি। সেই পরীক্ষাতেও রুবির লেখা উত্তর হতবাক করে দেয় মাধ্যমিক বোর্ড কর্মকর্তাদের। প্রশ্ন এসেছিল কবি তুলসীদাসকে নিয়ে যা জানো লেখ? রুবির উত্তর ছিল, “তুলসীদাসজি প্রণাম।” পরীক্ষা শেষেই গ্রেপ্তার করা হয় রুবি রাইকে।

একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে পাটনার স্পেশাল পুলিশ সুপার মনু মহারাজ জানিয়েছেন, “মানবিকের প্রথম হওয়া ছাত্রী নিজের দোষ স্বীকার করেছে। সে যে প্রথম হওয়ার যোগ্য নয়, তাও জানিয়েছে। রুবি বলেছে, ও দ্বিতীয় ডিভিশনে পাশ করবে ভেবেছিল। কিন্তু, প্রথম হয়ে যাওয়ায় বাবা ও কলেজের প্রিন্সিপালকেই দুষছে রুবি।”






মন্তব্য চালু নেই