মেইন ম্যেনু

বার কাউন্সিলে আওয়ামীপন্থী প্যানেল এগিয়ে

দীর্ঘদিন পর পুনরায় আইনজীবীদের সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ও আইন পেশার সর্বোচ্চ সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কতৃত্ব ফিরে পেতে যাচ্ছে আওয়ামীপন্থী আইনজীবী প্যানেল সম্মিলিত পরিষদ।

বার কাউন্সিলের নির্বাচনে সাধারণ সাতটি আসনের মধ্যে তিনটিতে এবং সাতটি গ্রুপ আসনের মধ্যে ছয়টিতেই এগিয়ে আছেন সরকার সমর্থিত এই সাদা প্যানেল।

সারা দেশে অনুষ্ঠিত সব কেন্দ্রের ফলাফল হাতে আসার পর বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করবেন।

মোট ৭৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে প্রায় ৭০টি কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায় সম্মিলিত আইনজীবী পরিষদ এগিয়ে রয়েছে। এছাড়া সাত অঞ্চলের পাঁচটিতে আওয়ামী লীগ এবং দুটিতে বিএনপির সমর্থিতরা জয় পেয়েছেন।

বার কাউন্সিলের ১৪টি সদস্য পদের বিপরীতে এবার চারটি প্যানেল থেকে মোট ৬১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ভোটের দিক থেকে ১১ হাজার ৭১৩ ভোট পেয়ে একক ভাবে এগিয়ে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেলের ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (সাদা প্যানেল) প্রার্থী অ্যাডভোকটে আব্দুল বাসেদ মজুমদার (১১৪৫৯), তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন নীল প্যানেলের প্রার্থী খন্দকার মাহবুব হোসেন (১০৯৬৮), চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন সাদা প্যানেলের প্রার্থী ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম (১০৫৫৬), পঞ্চম অবস্থানে রয়েছেন সাদা প্যানেলের প্রার্থী আব্দুল মতিন খসরু (১০৪০৮), ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন নীল প্যানেলের প্রার্থী এজে মোহাম্মদ আলী (১০০৯৮) এবং সপ্তম অবস্থানে রয়েছেন নীল প্যানেলের প্রার্থী সানাউল্লাহ মিয়া (৯৯৮৪)।

এছাড়া সাদা প্যানেলের প্রার্থী জেড আই খান পান্না অষ্টম অবস্থানে (৯৯১০), রেজাউল করিম ৯৮৬১ ভোট পেয়ে নবম স্থানে, নীল প্যানেলের ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল পেয়েছেন ৯১৯২, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ৯১৯৫ এবং মো. বোরহানউদ্দিন পেয়েছেন ৮৪১২ ভোট।

এছাড়া সাতটি গ্রুপ আসনের মধ্যে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের (সাদা প্যানেল) প্রার্থীরা ছয়টিতেই সংখ্যাগরিষ্ঠ্যতার দিকে এগিয়ে আছেন। এরা হলেন- এ-গ্রুপ থেকে কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, বি-গ্রুপ থেকে এইচ আর জাহিদ আনোয়ার, সি-গ্রুপ থেকে ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী, ই-গ্রুপ থেকে পারভেজ আলম খান, এফ-গ্রুপ থেকে মো. ইয়াহিয়া ও জি-গ্রুপ থেকে মো. রেজাউল করিম। একমাত্র ডি-গ্রুপ থেকে জাতীয়তাবাদী ঐক্য পরিষদের (নীল প্যানেল) প্রার্থী কাইমুল হক জয় লাভ করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত দেশের ৭৮টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ করা হয়।

প্রতি তিন বছর অন্তর অন্তর বার কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বার কাউন্সিল ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে পরিচালিত হয়ে থাকে। এর মধ্যে রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকার বলে এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। আর বাকী ১৪ জন আইনজীবীদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এই ১৪ জনের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে একজন ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এবার বার কাউন্সিল নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৪৩ হাজার ৩০২ জন।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই