মেইন ম্যেনু

বালিয়াকান্দি খান সাহেবের বাগান বাড়ীতে আমের সমারহ

সেনাবাহিনীর চাকুরীতে ৯বছর করার পর অবসর নেন মোস্তাফিজুর রহমান লোটাস। বাড়ীতে বেকার ঘুরে তার ভালো লাগছিল না। চাচা আব্দুল মতিন খানের অনুপ্রেরনা আর সার্বিক সহযোগিতায় রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি ইউনিয়নের খোদ্দমেগচামীতে গড়ে তোলেন খান সাহেবের বাগান বাড়ী। বাগান বাড়ীতে গড়ে তোলেন আম বাগান। প্রথমে হিমসীম খেলেও প্রতিবছর আয় হওয়ায় লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছেন। আমের শোভা পাচ্ছে বাগান বাড়ীতে। এ বছর ৫ লক্ষ টাকার আম উৎপাদন হবে।

খান সাহেবের বাগান বাড়ীর পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান খান ( লোটাস) জানান, ওই জমির দাগের উপর ৪০ পাখি জমি নিয়ে সাড়ে ৪শত আমের গাছ রয়েছে। আম বাগানে আ¤্ররুপালী, ফজলী, ল্যাংরা, হিমসাগর, গোপাল ভোগ, নবাব পছন্দ, হাড়িভাঙ্গা, বারী-১, বারী-২, বারী-৩, বারী-৪, বারী-৫ সহ দেড় শত প্রজাতির আমের গাছ রয়েছে। গাছে আশানুরুপ আম ধরেছে। এ বছর আমবাগানে তার প্রায় ২লক্ষ টাকার মত খরচ হয়েছে। যদি বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটে তাহলে ৫লক্ষাধিক টাকার আম বিক্রি হবে। তার বাগানে প্রতিদিন ১০-১২জন লোক কাজ করে। তাদের জীবিকা নির্বাহ হয় এ বাগানে কাজ করেই। তবে অনেকেই শত্রুতা বশতঃ ক্ষতি করতে চেষ্টা করে।

সে আরো জানায়, সে ৯ বছর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরীর পর অবসর নিয়ে বাবা-চাচার অনুপ্রেরনায় নিজস্ব জমির উপর বাগান তৈরী করে। এখন সারা বছর বাগানেই থাকতে হয়। এখন মনে হয় তার গাছের সাথেই পরিচয়। সে বাগান বাড়ীটিকে ঘিরে একটি ভ্রমন স্থান তৈরী করেছেন। অনেকেই এবাগান দেখতে দুরদুরান্ত থেকে ছুটে আসে প্রতিদিন। তাই নিজের বাগানই তৈরী নয় অন্যন্যে মানুষের কথা চিন্তা করে বাগানের অভ্যন্তরে গড়ে তুলেছেন নার্সারী। নার্সারী থেকে বাগান করতে ইচ্ছুক মানুষকে ভালো মানের চারা দিয়ে সহযোগিতা করেন। তিনি বাগানটি আরো সমৃদ্ধ করতে সকলের সহযোগিতা চান।






মন্তব্য চালু নেই