মেইন ম্যেনু

বাল্যবিবাহ! পাষণ্ড বাবা-মা শুনলেন না শিশুর আর্তনাদ

সময়ের সাথে সাথে মানুষের চিন্তা-ভাবনায় ব্যাপক পরিবর্তন আসলেও, এখনও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান কুসংস্কারে আচ্ছাদিত। যার ফলে এখনও বাল্যবিবাহের মত কুপ্রথা হরহামেশা ঘটতে দেখা যায়।

ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ছত্তিসগড় এলাকায় ১০ বছরের শিশুর বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। শুধু তাই নয় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ‘অক্ষয় তৃতীয়া’ উৎসব উৎযাপনের জন্য গত দুইদিনে ছয়জন শিশুর বিয়ে দেয়া হয়েছে। ১০ বছরের শিশু মণ্ডপে বসে অনেক কান্না করে কিন্তু তার বাবা-মা তাতে কোন কর্ণপাত করেনি। তার বাবা শিশুকে ধরে সাত পাক দিতে সাহায্য করেন। এই বিয়ের ভিডিও এখন অনলাইনে ভাইরাল হয়ে উঠেছে।

মেইল অনলাইনের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, পুলিশ এই পরিবারের সদস্যদের খোঁজ করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু পরিবারের সকল সদস্য পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

ছত্তিসগড়ের ম্যাজিস্ট্রেট ভেদ প্রকাশ বলেছেন, ‘আমরা এই খবর পাবার পর থেকে দোষীদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তাদের খুঁজে পাবার পর এই বিয়ে ভেঙ্গে দেয়া হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি আরও জানান, ‘আমরা অনেক বাল্যবিবাহ থামাতে সক্ষম হয়েছি। যার ফলে অনেক পরিবার গ্রামের বাহিরে যেয়ে গোপন স্থানে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করেন। আবার অনেকে সমাজের ভয়ে পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে ভয় পান।’

সার্থ ট্রাষ্টের একজন শিশু অধিকার কর্মী কৃতি ভারতী জানান, তিনি এই পর্যন্ত ৮৫০ শিশুর বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার মতে, বাল্যবিবাহ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়া পর্যন্ত এই ঘটনা ঘটতে থাকবে।–সুত্র: মেট্রো।






মন্তব্য চালু নেই