মেইন ম্যেনু

বাল্যবিয়ে মুক্ত পবার দামকুড়ার দশ গ্রাম

সরকার দুলাল মাহবুব: রাজশাহী মহানগরী থেকে ১২ কিলোমিটার দুরে পবার দামকুড়া ইউনিয়নের গ্রামগুলোর প্রবেশপথেই সাইনবোর্ডে গোটা গোটা হরফে লেখা ‘বাল্যবিয়ে মুক্ত গ্রাম।’ উদ্যোক্তাদের দাবি, বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণার পর গ্রামগুলোতে কোনো বাল্যবিয়ে হয়নি। এ সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে পাশের গ্রামে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার আরো দু’টি গ্রামকে বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা করা হয়।

জেলার পবা উপজেলার দামকুড়া ইউনিয়নের আরো দু’টি গ্রামকে বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্যোক্তারা হরিষার ডাইং ও কলার টিকর গ্রামকে বাল্যবিয়ে মুক্ত বলে ঘোষণা দেন। নবনির্বাচিত দামকুড়া ইউপি’র চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম প্রধান অতিথি থেকে এ ঘোষণা দেন। ঘোষণা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএমইএস দামকুড়া ইউনিট অর্গানাইজার কেএম আসাদুজ্জামান। ট্রেড অর্গানাইজার জাহাঙ্গীর হোসেনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক জহুরুল হক, গোলাম রাব্বানী, মশিউর রহমান, বিপাশা মন্ডল, নাজনীন নাহারসহ স্থানীয় অভিভাবক ও বিপুলসংখ্যক কিশোর-কিশোরী। এর আগে ওই এলাকার আরো ৮টি গ্রাম বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

জানা গেছে, কয়েক বছর থেকে সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে এলাকার সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে ‘সেন্টার ফর ম্যাস এডুকেশন ইন সায়েন্স (সিএমইএস)’ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা এ এলাকার ৭টি এবং গোদাগাড়ি উপজেলার একটি গ্রামকে বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা করে। বর্তমানে গ্রামগুলো শতভাগ বাল্যবিয়ে মুক্ত রয়েছে বলে জানা গেছে। এরমধ্যে গোবিন্দপুর, আলোকছত্র, ভিমের ডাইং, আসগ্রাম এবং গোদাগাড়ীর ইমামগঞ্জ গ্রাম ‘বাল্যবিয়ে মুক্ত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বাল্যবিয়ে মুক্ত পরিধিতে যোগ হলো আরো দু’টি গ্রাম। আর এ দুটি নিয়ে পবার ৯টি গ্রামকে বাল্যবিয়ে মুক্ত ঘোষণা করা হলো।






মন্তব্য চালু নেই