মেইন ম্যেনু

“বাস্তবের” যে ভৌতিক প্রাণীগুলো আজও রয়ে গেছে ব্যাখ্যাহীন! (ছবি সহ)

আমাদের চেনা-পরিচিত গন্ডির বাইরে এমন অনেক কিছু আছে যা শুনলে নিজের অজান্তেই শিউরে উঠবে আপনার শরীর, শীতল আতঙ্ক ছড়িয়ে যাবে মেরুদন্ড বেয়ে। এই পৃথিবীতে আমাদের অজানা এমন অনেক প্রাণীর দেখা পাওয়া গেছে, যাদের আমরা শুধুই পিশাচ গল্পের চরিত্র বলে ভেবে এসেছি। নিজের চোখেই দেখে নিন এমন ভয়াবহ কিছু প্রাণীকে, জেনে নিন তাদের কাহিনী। অমীমাংসিতের আজকে পড়বে রইলো অন্য ভুবনের সেইসব প্রাণীদের সত্য কাহিনী!

maxresdefault

১) মথ মানব
১৯৬৬ সালে আমেরিকার ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় এই প্রাণীটিকে প্রথম দেখা যায়, এমনকি একটি পত্রিকায় এর ব্যাপারে ছাপাও হয়। বলা হয় একে প্রথম দেখতে পান এক দম্পতি। তাদের বর্ণনায়, এর শরীর ছিলো প্রায় ৭ ফুট লম্বা। এর চোখ ছিলো টকটকে লাল এবং মথের মতো বড় বড় পাখা ছিলো তার। এর পর বেশ কিছু সময় ধরে এখানে সেখানে মথ ম্যানকে দেখতে পাওয়ার দাবি করে মানুষ। এর পাশাপাশি আকাশে অদ্ভুত আলোর খেলা, ইউএফও দেখতে পাওয়া যায়। কিছুদিন পর একটি ব্রিজের ওপর একে দেখতে পাওয়া যায় এবং এর ছবিও তোলা হয়। ব্রিজটি পরে ভেঙ্গে যায়, এবং তার পর থেকে একেবারে বাতাসে মিলিয়ে যায় মথ ম্যান, তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। কিন্তু ১৯৮৬ সালে, চেরনোবিল নিউক্লিয়ার ধ্বংসযজ্ঞ চলাকালীন সময়ে আবার তাকে দেখা যায় বলে জানা গেছে।
ফটো ক্রেডিট: www.youtube.com

creepy-trail-pictures

২) চোহমো দানব

আমেরিকার ইলিনয়ে দেখতে পাওয়া চোহমো মনস্টারও ছিলো বিশালদেহী, প্রায় ৮ ফুট লম্বা, মানুষের মতোই দেখতে। কিন্তু তার শরীর ঢাকা ছিলো ঘন সাদা লোমে এবং প্রতি পায়ে ছিলো তিনটি করে আঙ্গুল। যারা এর সামনাসামনি হবার দাবি করেছে, তারা বলেন, এর শরীর থেকে আসে বিদঘুটে দুর্গন্ধ। ১৯৭২ সালের মে মাসের প্রথম দিকে র‍্যান্ডি নামের এক তরুণ এবং তার বন্ধুরা প্রথম একে দেখতে পায় এবং ধারণা করে সে এলাকায় এক পোড়োবাড়িতে সে থাকে। এরপর এতো বেশি মানুষ একে দেখার দাবি করে যে একটা সময়ে পুলিশ থেকেও এর ব্যাপারে তদন্ত শুরু হয়। কিন্তু এর ব্যাপারে কিছুই জানা যায়না।
ফটো ক্রেডিট: onemorepost.com

94295096

৩) চুপাকাবরা
ল্যাটিন আমেরিকা এবং টেক্সাসে এর ব্যাপারে এতো সব কানাঘুষা শোনা যায় যে একে বলা হয় এ অঞ্চলের বিগফুট। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো সে গবাদিপশু শিকার করতে খামারে হানা দেয় এবং এসব পশু ধরে তাদের রক্ত চুষে পান করে। এ কারণে একে গোট সাকার নাম দেন কেউ কেউ। একে দেখা শুরু হয় ৯০ এর দশকে। বর্ণনায় বলা হয় সে কুকুর জাতীয় একটি প্রাণী। ২০০৪ সালে এদের একটিকে গুলি করে মারা হয়। দেখা যায়, এর শরীরে নেই কোনো লোম, ত্বক নীলচে ধূসর। ২০০৭ সালে এর মতো দেখতে আরও কয়েকটি মৃতদেহ পাওয়া যায়। যে নারী এগুলো খুঁজে পান তিনি একটির মাথা নিয়ে রেখে দেন নিজের কাছে।
ফটো ক্রেডিট: www.liuyuanxing.com

11fed31e60271bb2f96b8e33a09ee525

৪) ক্ষুদ্র হিউম্যানয়েড
২০০২ সালে চিলিতে ছুটি কাটাতে গিয়ে এক ব্যক্তি ঝোপের মাঝে এই ক্ষুদ্র প্রাণীটিকে খুঁজে পান। ৩ ইঞ্চি লম্বা এই মানবসদৃশ প্রাণী তখনো বেঁচে ছিলো। তার শরীর তখনো ছিলো উষ্ণ, সে একবার চোখও খুলেছিলো। ৮ দিন পরে সে মারা যায়। মারা যাবার পর রেফ্রিজারেটরে রাখা হলে নিজে থেকেই এ শরীর শুকিয়ে মমিতে পরিণত হয়। হালকা গোলাপি শরীরটি মৃত্যুর পর গাড় লাল হয়ে যায়। এর চোখ ছিলো টানা টানা, হাতে ছিলো নখ।
ফটো ক্রেডিট: forgetomori.com

18k4g5t0u6jwujpg

৫) পানামা দানব
ইটি এবং লর্ড অফ দ্যা রিংস সিনেমা দুটি দেখেছেন কি? দেখে থাকলে আপনার মনে হবে ইটি এবং গোলেম নামক এই দুই কদাকার প্রাণীর সম্মিলনে তৈরি হয়েছে পানামা দানব। ২০০৯ সালে পানামার এক ছোট খালের পাড়ে খেলতে যায় চার তরুণ। এ সময়ে একটি গুহা থেকে বের হয় তাদেরকে তাড়া করে এই দানব। এর শরীর ছিলো রাবারের মতো। ছেলেগুলো ভয় পেয়ে একে ঢিল মারতে শুরু করে এবং সে মারা যায়। মারা গেলে ছেলেগুলো আরও ভয় পেয়ে পানিতে ফেলে দেয় শরীরটি। পরে এ খবরটি সিএনএনএ প্রকাশিত হয় এবং এর ছবিও তোলা হয়। কিন্তু এ কোন প্রাণী, তা শনাক্ত করা যায়নি।
ফটো ক্রেডিট: www.expressen.se

তথ্য সূত্র- 15-creepiest-creatures-ever-spotted-on-the-planet-firsttoknow.com






মন্তব্য চালু নেই