মেইন ম্যেনু

বাড়ছে আমের দাম খুশি ব্যবসায়ী ও চাষিরা

অনেক স্বপনের কথা ছিলো আম চাষ নিয়ে। কিন্তু বছরে শুরুতে আমের বাজারে ধসের কারণে আম ব্যবসায়ীরা কনো মতে ব্যবসা টিকিয়ে রেখেছেন। একেতো আমের দাম কম তার পরে আবার ফরমারিনের অশঙ্কায় আগাম বিক্র করতে পারে নি অনেক ব্যবসায়ী। ফলে লোকসানের অংকটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

আসার বানি হলে রাজশাহীর বাজারে আমের দাম বেড়তে শুরু করেছে। গত দুই-তিন দিন ধরে আমের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গতকাল বুধবারও মণে অন্তত দুই শ টাকা বেশি দরে আম বিকি হয়েছে। প্রায় শেষ সময়ে এসে দাম বৃদ্ধিতে কিছুটা হলেও খুশি আমি চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

আম ব্যবসায়ীরা বলছে, বাজারে আমের দাম প্রতি মণ খিরশা (হিমসাগর) জাতের আম বিক্রি হয়েছে দুই হাজার থেকে ২২ শ টাকা মণ দরে, ল্যাংড়া ১৫-১৬ টাকা মণ দরে, লখনা ৯ থেকে হাজার টাকা এবং ফজলি ৮-৯ শ টাকা মণ দরে। গত দুই-তিন দিন ধরেই আমের দাম বাড়তির দিকে বলে জানিয়েছেন এ বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতারা।

তারা আরো জানান, গত সপ্তাহেও এ বাজারে প্রতি মণ ল্যাংড়া আম বিক্রি হয়েছে ১২-১৩ শ টাকা দরে। সেখানে মণে অন্তত দুই শ টাকা বেড়ে কাল বিক্রি হয়েছে ১৫-১৬ শ টাকা দরে। একইভাবে খিরশা জাতের আম যেখানে ছিল ১৬-১৮ শ টাকা মণ, কাল বিক্রি হয়েছে সেখানে দুই হাজার থেকে ২২ শ টাকা দরে। নতুন ফজলি জাতের আম বিক্রি হয়েছে ৮-৯ শ টাকা। কয়দিন আগেও যা ছিল ৬-৭ টাকা মণ। দাম বেড়েছে লখনা জাতের আমেরও। এ জাতের আম এখন বিক্রি হচ্ছে ৯ শ থেকে হাজার টাকা দরে।

তবে আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা জানান, এরই মধ্যে গোপাল ভোগ আম শেষ হয়ে গেছে। শেষের দিকে খিশরা জাতের আমও। বানেশ্বর বাজারে খিরশা জাতের আম এখন নেই বললেই চলে। এখন গোপাল ও খিরশারজায়গা দখর করেছে ন্যাংড়া লখনা আর ফজলি। ফজলি গত কয়েকদিন ধরেই বাজারে নতুন আসতে শুরু করেছে। এরপর আষাড়ের শেষের দিকে আসবে আশ্বিনা। ফলে বাজারে আম এখন শেষের দিকেই যেতে শুরু করেছে। এই অবস্থায় কিছুটা হলেও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসায়ী ও চাষিরাও খুশি।

উল্লেখ্য, এবার রাজশাহীতে ১৬ হাজার ৫১৯ হেক্টর জমিতে আম উৎপাদন হবে। যা থেকে গড়ে ১৫ দশমিক ৫৮ মেট্রিক টন হারে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৩১ মেট্রিক টন আমের উৎপাদন হবে। রাজশাহীর জেলায় গত বছর ১৪ হাজার ৫ হেক্টর জমিতে আমের উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখান থেকে ২ লাখ ১২ হাজার ৭৬৭ মেট্রিক টন আমের উৎপাদন লক্ষামাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সেখানে উৎপাদন হয় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৫৩১ মেট্রিক টন।






মন্তব্য চালু নেই